ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন-
ক) শাহ সুজা
খ) মীর জুমলা
গ) ইসলাম খান
ঘ) শায়েস্তা খান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
লালবাগ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ (সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র) ১৬৭৮ সালে। পরবর্তীতে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান এর নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেন, কিন্তু তার কন্যার (পরী বিবি) মৃত্যুর পর তিনি এটিকে অপয়া মনে করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
Related Questions
ক) আগারগাঁও
খ) মহাস্থানগড়
গ) গৌড়
ঘ) সোনারগাঁও
Note : যদিও মহাস্থানগড় মৌর্যযুগের प्रांतीय শাসনকেন্দ্র ছিল, কিন্তু প্রাচীন বাংলার শশাঙ্কের রাজধানী ছিল 'কর্ণসুবর্ণ' এবং পাল ও সেন যুগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল 'গৌড়'। প্রশ্নটির অপশন অনুযায়ী, 'গৌড়' মৌর্য ও গুপ্ত পরবর্তী সময়ে বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
ক) জাহাঙ্গীর
খ) শেরশাহ
গ) আকবর
ঘ) আওরঙ্গজেব
Note : মুঘল সম্রাট আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য হিজরি সনের সাথে ভারতীয় সৌর সনের সমন্বয় করে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে 'তারিখ-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন সন প্রবর্তন করেন, যা পরবর্তীতে 'বঙ্গাব্দ' বা বাংলা সন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
ক) ওস্তাদ রবিশংকর
খ) ওস্তাদ আয়াত আলী খান
গ) ওস্তাদ গোলাম আলী
ঘ) ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
Note : বিশ্ববরেণ্য সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ আফগান বাদ্যযন্ত্র 'রাবাব'-কে সংস্কার, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে বর্তমান 'সরোদ' বাদ্যযন্ত্রটির রূপ দান করেন, যা আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
ক) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
খ) নয়ীম গহর
গ) গোবিন্দ হালদার
ঘ) আজাদ রহমান
Note : দেশাত্মবোধক এই কালজয়ী গানটির সুরকার আজাদ রহমান এবং গীতিকার হলেন নয়ীম গহর। গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো।
ক) হাওড়
খ) বরেন্দ্র
গ) পাহাড়ি
ঘ) উপকূল
Note : ঘেটু গান' বা 'ঘাটু গান' হলো বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চলের (বিশেষ করে বৃহত্তর সিলেট ও ময়মনসিংহ) একটি লৌকিক সঙ্গীত ধারা। এটি মূলত কোনো তরুণ বালককে মেয়ে সাজিয়ে তার নাচ ও গানের আসর।
ক) অরুণকুমার গোস্বামী
খ) শাম্মী আখতার
গ) করুণাময় গোস্বামী
ঘ) মৃদুলকান্তী চক্রবর্তী
Note : 'সঙ্গীত কোষ' বাংলা সঙ্গীতের ওপর একটি আকরগ্রন্থ, যা বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ, গবেষক ও লেখক করুণাময় গোস্বামী।
জব সলুশন