ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সিংহদ্বার কি নামে পরিচিত?
ক) সুবাহর তোরণ
খ) দেশভুজা তোরণ
গ) ঈশ্বরী তোরণ
ঘ) নহবতখানা তোরণ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রবেশপথে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী তোরণটি 'নহবতখানা তোরণ' নামে পরিচিত। প্রাচীনকালে এখান থেকে নির্দিষ্ট সময়ে নহবত বা বাদ্য বাজানো হতো।
Related Questions
ক) ময়নামতি
খ) পাহাড়পুর
গ) মহাস্থান
ঘ) উয়ারী বটেশ্বর
Note : কুমিল্লায় অবস্থিত ময়নামতি প্রত্নস্থল (বিশেষ করে কোটিলা মুড়া, শালবন বিহার) থেকে দেব, চন্দ্র ও বর্ম বংশীয় রাজাদের বহু তাম্রশাসন বা তাম্রলিপি আবিষ্কৃত হয়েছে, যা ঐ অঞ্চলের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
ক) হেস্টিংস
খ) ইশা খাঁ
গ) সরোজিনী নাইডু
ঘ) রাণী ভবানী
Note : নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা বর্তমানে 'উত্তরা গণভবন' নামে পরিচিত, তার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রাজা দয়ারাম রায়। পরবর্তীতে এই জমিদারির বিখ্যাত শাসক ছিলেন রাণী ভবানী। তার নাম এই রাজবাড়ির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ক) শাহ সুজা
খ) মীর জুমলা
গ) ইসলাম খান
ঘ) শায়েস্তা খান
Note : লালবাগ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ (সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র) ১৬৭৮ সালে। পরবর্তীতে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান এর নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেন, কিন্তু তার কন্যার (পরী বিবি) মৃত্যুর পর তিনি এটিকে অপয়া মনে করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
ক) আগারগাঁও
খ) মহাস্থানগড়
গ) গৌড়
ঘ) সোনারগাঁও
Note : যদিও মহাস্থানগড় মৌর্যযুগের प्रांतीय শাসনকেন্দ্র ছিল, কিন্তু প্রাচীন বাংলার শশাঙ্কের রাজধানী ছিল 'কর্ণসুবর্ণ' এবং পাল ও সেন যুগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল 'গৌড়'। প্রশ্নটির অপশন অনুযায়ী, 'গৌড়' মৌর্য ও গুপ্ত পরবর্তী সময়ে বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
ক) জাহাঙ্গীর
খ) শেরশাহ
গ) আকবর
ঘ) আওরঙ্গজেব
Note : মুঘল সম্রাট আকবর খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য হিজরি সনের সাথে ভারতীয় সৌর সনের সমন্বয় করে ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে 'তারিখ-ই-ইলাহি' নামে একটি নতুন সন প্রবর্তন করেন, যা পরবর্তীতে 'বঙ্গাব্দ' বা বাংলা সন হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
ক) ওস্তাদ রবিশংকর
খ) ওস্তাদ আয়াত আলী খান
গ) ওস্তাদ গোলাম আলী
ঘ) ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
Note : বিশ্ববরেণ্য সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ আফগান বাদ্যযন্ত্র 'রাবাব'-কে সংস্কার, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করে বর্তমান 'সরোদ' বাদ্যযন্ত্রটির রূপ দান করেন, যা আজ বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
জব সলুশন