আমন্ত্রিত অতিথি সমভিব্যাহারে মন্ত্রি মহোদয় মঞ্চে আরোহণ করলেন।' এ বাক্যে উপসর্গ আছে-

ক) চারটি
খ) ছয়টি
গ) সাতটি
ঘ) আটটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
শব্দগুলো হলো: ১. আ-মন্ত্রিত, ২. অ-তিথি, ৩. সম্-অভি-ব্যাহারে (সম্, অভি), ৪. আ-রোহণ। এখানে উপসর্গগুলো হলো: আ, অ, সম্, অভি, বি, আ। মোট ছয়টি উপসর্গ আছে। (সমভিব্যাহারে = সম্+অভি+বি+আ+হার+এ)।

Related Questions

ক) অগ্নিসাৎ, ধুলিসাৎ
খ) কষ্ট, কাষ্ট
গ) করিস, বাস
ঘ) পোশাক, জিনিস
Note : ষ-ত্ব বিধান শুধুমাত্র তৎসম শব্দের জন্য। খাঁটি বাংলা, তদ্ভব বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয় না, সেখানে দন্ত্য 'স' ব্যবহৃত হয়। 'করিস', 'বাস' - এই শব্দগুলো খাঁটি বাংলা ক্রিয়াপদ ও বিশেষ্য, তাই এখানে 'ষ' বসেনি। 'পোশাক' (ফারসি), 'জিনিস' (ফারসি) বিদেশি শব্দ। 'কষ্ট', 'কাষ্ঠ' তৎসম শব্দ।
ক) দেশী শব্দে
খ) বিদেশী শব্দে
গ) তৎসম শব্দে
ঘ) অর্ধতৎসম শব্দে
Note : ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান শুধুমাত্র তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ, যে সকল তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ' বা 'ষ' এর ব্যবহার আছে, বাংলাতেও সেই বানান অবিকৃত রাখতে হয়। দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে এই নিয়ম খাটে না।
ক) অর্থের পার্থক্য ঘটে না
খ) অর্থের পার্থক্য ঘটে
গ) অর্থের রূপ পরিবর্তিত হয়
ঘ) বর্ণের রূপ পরিবর্তিত হয়
Note : এই বিধানগুলো মূলত তৎসম শব্দের বানানকে শুদ্ধ রাখার জন্য। নিয়ম মেনে না চললে অনেক ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ বদলে যায়। যেমন: 'অণু' (ক্ষুদ্রতম কণা) এবং 'অনু' (পশ্চাৎ)। বানানের ভুলের কারণে অর্থের পার্থক্য ঘটে, যা যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
ক) সমাসবদ্ধ পদ বলে
খ) দেশি শব্দ বলে
গ) তৎসম শব্দ বলে
ঘ) বিদেশি শব্দ বলে
Note : নিয়ম অনুযায়ী, সমাসবদ্ধ পদে ণ-ত্ব বিধান খাটে না, অর্থাৎ সেখানে স্বভাবতই দন্ত্য-ন বসে। 'দুর্নাম' (দুঃ যে নাম) এবং 'দুর্নিবার' (দুঃখে নিবারণ করা যায় যা) উভয়ই সমাসবদ্ধ পদ হওয়ায় এখানে মূর্ধন্য 'ণ' না বসে দন্ত্য 'ন' বসেছে।
ক) ৬ টি
খ) ৭টি
গ) ৮টি
ঘ) ৯টি
Note : পরিবর্তিত শব্দগুলো হলো: ১. ফাল্গুন > ফাগুন (অন্তর্হতি), ২. সকাল > সক্কাল (ব্যঞ্জনদ্বিত্ব), ৩. অযথা > অযথাই (প্রত্যয়), ৪. বড়দাদা > বড়দা (ব্যঞ্জনলোপ), ৫. তর্ক > তক্ক (সমীভবন), ৬. করিতে > কত্তে (অভিশ্রুতি)। মোট ৬টি শব্দে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটেছে।
ক) বিপ্রকর্ষ
খ) ধ্বনিলোপ
গ) সমীভবন
ঘ) স্বরসঙ্গতি
Note : বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি হলো উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি নিয়ে আসা। 'স্নান' (স্ন) শব্দে যুক্তব্যঞ্জনের মাঝে 'ই' স্বরধ্বনি এসে 'সিনান' হয়েছে। এটি বিপ্রকর্ষের একটি আদর্শ উদাহরণ।

জব সলুশন

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

দুর্নীতি দমন কমিশন - সহকারী পরিচালক (09-01-2026)

দুর্নীতি দমন কমিশন - উপসহকারী পরিচালক (03-01-2026)

সিভিল সার্জনের কার্যালয়, কক্সবাজার - পরিসংখ্যানবিদ (26-12-2025)

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় - গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - ইমারত পরিদর্শক (26-12-2025)

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (26-12-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন