বাংলা সাহিত্যে দুঃখবাদী কবি কে ?
ক) গোবিন্দ্র চন্দ্র দাস
খ) যতীন্দ্র নাথ সেনগুপ্ত
গ) সুকান্ত ভট্রাচার্য
ঘ) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কবিতায় জীবনের দুঃখ, হতাশা, বেদনা ও নৈরাশ্য অত্যন্ত প্রবলভাবে ফুটে উঠেছে। তার কাব্যগ্রন্থগুলোর নামও ('মরীচিকা', 'মরুশিখা') এই দুঃখবোধের পরিচায়ক। এ কারণে সমালোচকরা তাকে 'দুঃখবাদী কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
Related Questions
ক) জসীমউদ্দিন
খ) মুকুন্দদাস
গ) মোজাম্মেল হক
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
Note : মুকুন্দদাস ব্রিটিশবিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের সময় গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে গান গেয়ে এবং যাত্রাপালা করে গণজাগরণ সৃষ্টি করতেন। জনগণের কাছে সরাসরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই রীতির জন্য তাকে 'চারণ কবি' বলা হয়। 'চারণ' শব্দের অর্থ স্তুতি পাঠক বা গায়ক, যারা ঘুরে ঘুরে গান করেন।
ক) দ্বারকানাথ ঠাকুর
খ) ব্রিটিশ সরকার
গ) ব্রাহ্ম সমাজ
ঘ) ব্রাহ্মণ সমাজ
Note : দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রধান আচার্য। তার গভীর আধ্যাত্মিক জ্ঞান, সাধনা এবং ব্রাহ্মধর্মের উন্নতিতে অসামান্য অবদানের জন্য 'ব্রাহ্ম সমাজ'-এর অনুসারীরাই তাকে শ্রদ্ধাভরে 'মহর্ষি' (মহান ঋষি) উপাধিতে ভূষিত করেন।
ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
খ) ঈশ্বর পাটনী
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) গোবিন্দচন্দ্র দাস
Note : গোবিন্দচন্দ্র দাসের কবিতায় গ্রাম বাংলার প্রকৃতি ও জীবনের সহজ, স্বাভাবিক ও অকৃত্রিম চিত্র ফুটে উঠেছে। কোনো কৃত্রিমতা বা পাণ্ডিত্যের ভার ছাড়াই তিনি সহজ ভাষায় কাব্য রচনা করতেন বলে তাকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
ক) ১৮৯৬ সালে
খ) ১৯১২ সালে
গ) ১৯১৫ সালে
ঘ) ১৯১৯ সালে
ক) সাহিত্যসম্রাট
খ) সাহিত্য বিশারদ
গ) সাহিত্যরত্ম
ঘ) তর্করত্ম
Note : নজিবর রহমান ছিলেন একজন মুসলিম ঔপন্যাসিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস 'আনোয়ারা' মুসলিম সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। বাংলা সাহিত্যে তার অবদানের জন্য তাকে 'সাহিত্যরত্ন' উপাধি দেওয়া হয়।
ক) বাংলা একাডেমী
খ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
গ) মুসলিম সাহিত্য সংঘ
ঘ) যশোর সাহিত্য সংঘ
Note : কবি গোলাম মোস্তফার জন্মস্থান যশোর। তার কাব্যচর্চা ও বাংলা সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তার নিজ অঞ্চলের 'যশোর সাহিত্য সংঘ' তাকে 'কাব্য সুধাকর' উপাধিতে ভূষিত করে।
জব সলুশন