'তমদ্দুন মজলিস' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
ক) প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম
খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
গ) আবদুল কাদির
ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
'তমদ্দুন মজলিস' ছিল ভাষা আন্দোলনের পথিকৃৎ একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাশেম ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
Related Questions
ক) সরল ক্রিয়া
খ) প্রযোজক ক্রিয়া
গ) যৌগিক ক্রিয়া
ঘ) মিশ্র ক্রিয়া
Note : বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে 'কর', 'হ', 'দে', 'পা' ইত্যাদি ধাতু যোগে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলে। এখানে 'বিশ্বাস' (বিশেষ্য) এর সাথে 'অর্জন করা' (কর ধাতু) যুক্ত হয়ে মিশ্র ক্রিয়া গঠিত হয়েছে।
ক) নীহারিকা
খ) উচ্চ
গ) দেখে
ঘ) ধরে
Note : কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার এই অংশে 'নেহারি' শব্দটি 'দেখে' বা 'দেখিয়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি বলছেন, 'আমার মাথা দেখে হিমালয়ের চূড়াও মাথা নত করেছে'। এটি একটি ক্রিয়াপদ।
ক) চলিত ভাষা
খ) কথ্য ভাষা
গ) লেখ্য ভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
Note : সাধু ভাষা একটি সুনির্ধারিত ও ব্যাকরণের কঠোর নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত লিখিত ভাষা। এর পদবিন্যাস বা বাক্য গঠনরীতি সুনির্দিষ্ট, যা সহজে পরিবর্তনীয় নয়। চলিত বা কথ্য ভাষার পদবিন্যাস অনেক বেশি শিথিল ও পরিবর্তনশীল।
ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আবদুল হাই
গ) মুহম্মদ আবদুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
ঘ) মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
Note : বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ। এর প্রাচীন যুগ রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং আধুনিক যুগ রচনা করেন মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান।
ক) অلک, কুন্তল, চিকুর
খ) অর্ণব, পাবক, বহ্নি
গ) ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য
ঘ) ধরিত্রী, মহী, মেদিনী
Note : ব্যোম', 'অন্তরীক্ষ', 'শূন্য', 'গগন', 'নভ' ইত্যাদি শব্দ 'আকাশ'-এর সমার্থক। 'অলক, কুন্তল' চুলের সমার্থক; 'অর্ণব' সমুদ্রের এবং 'পাবক, বহ্নি' আগুনের সমার্থক; 'ধরিত্রী, মহী' পৃথিবীর সমার্থক।
ক) উৎপ্রেক্ষা
খ) উপরূপক
গ) উপমা
ঘ) আখ্যানরূপক
Note : দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে কোনো সাধারণ ধর্ম বা গুণের ভিত্তিতে সাদৃশ্য কল্পনা করা হলে তাকে উপমা অলঙ্কার বলে। যেমন: 'ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ'। এখানে কেশের সাথে ভ্রমরের রঙের সাদৃশ্য দেখানো হয়েছে।
জব সলুশন