কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়?
ক) ১২০১-১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ
খ) ৬০০-৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ
গ) ১৩৫১-১৫০০ খ্রিষ্টাব্দ
ঘ) ৬০০-৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তুর্কি আক্রমণের পর থেকে অর্থাৎ ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালে উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যকর্ম পাওয়া যায় না। তাই এই সময়কে 'অন্ধকার যুগ' বা 'ক্রান্তিকাল' বলা হয়।
Related Questions
ক) বিকিরণ
খ) বিকীরণ
গ) বিকিরন
ঘ) বীকীরন
Note : শুদ্ধ বানানটি হলো 'বিকিরণ'। এখানে 'ব'-তে হ্রস্ব-ই কার এবং 'র'-তে হ্রস্ব-ই কার হবে। 'ণ'-ত্ব বিধান অনুসারে 'র'-এর পরে 'ণ' বসেছে।
ক) পররাত্র
খ) মহানিশা
গ) যামিনী
ঘ) রাত্রিশেষ
Note : 'রাত্রির শেষ ভাগ'-কে এক কথায় 'পররাত্র' বলা হয়। 'মহানিশা' অর্থ গভীর রাত, 'যামিনী' অর্থ রাত্রি এবং 'রাত্রিশেষ' অর্থ রাতের শেষ।
ক) বিশৃঙ্খলা
খ) এলোমেলো
গ) তাস খেলার ঘর
ঘ) ক্ষণস্থায়ী
Note : 'তাসের ঘর' একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো ক্ষণস্থায়ী বা সহজে ভেঙে যায় এমন কিছু। তাসের তৈরি ঘর যেমন সামান্য আঘাতেই ভেঙে পড়ে, তেমনি ভঙ্গুর কোনো বিষয়কে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ক) কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি
খ) অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
গ) অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
ঘ) করণ কারকে ৭মী বিভক্তি
Note : 'কীসে' বা 'কোথায়' দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি স্থান, কাল বা বিষয় বোঝায় তবে তা অধিকরণ কারক হয়। কিন্তু এখানে 'কীসে মন বসে না?' এর উত্তরে 'পড়ায়' শব্দটি কর্ম হিসেবে কাজ করছে, বিষয় বোঝালেও এটি সরাসরি ক্রিয়ার কর্ম। তাই এটি কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি ('য়' বিভক্তি)। মতান্তরে, এটি ভাবাধিকরণ বা বিষয়াধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তিও হতে পারে, তবে কর্ম কারক অধিক গ্রহণযোগ্য।
ক) বিমনা
খ) সজ্জন
গ) প্রভাত
ঘ) নির্বিঘ্ন
Note : 'বিমনা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'বিশেষ মন যার' বা 'নাই মন যার'। এখানে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাস। অন্যগুলো (সজ্জন-কর্মধারয়, প্রভাত-প্রাদি তৎপুরুষ, নির্বিঘ্ন-অব্যয়ীভাব) ভিন্ন সমাসের উদাহরণ।
ক) ভানু
খ) নিশীথিনী
গ) কোমলকান্ত
ঘ) রজনীকান্ত
Note : 'রজনীকান্ত' শব্দের অর্থ 'রাতের কান্ত বা স্বামী', যা চাঁদের একটি সমার্থক শব্দ। 'ভানু' অর্থ সূর্য, 'নিশীথিনী' অর্থ রাত্রি এবং 'কোমলকান্ত' সাধারণত সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন