কোনটি অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়?

ক) বৃন্দ
খ) কুল
গ) বর্গ
ঘ) গ্রাম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বহুবচন প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে কিছু শব্দ অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ হলো:
গ্রাম: অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গুণগ্রাম বলতে গুণাবলি বোঝায়।
অন্যান্য শব্দের ব্যবহার:
গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ: এগুলো উন্নত প্রাণিবাচক (মনুষ্য) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সুধীবৃন্দ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।
কুল, সকল, সব, সমূহ: এগুলো প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় ধরনের শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কবিকুল, পক্ষীকুল ইত্যাদি।

Related Questions

ক) রূপতত্ত্ব
খ) ধ্বনিতত্ত্ব
গ) পদক্রম
ঘ) বাক্য প্রকরণ
Note :

• বাংলা ব্যাকারণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি , যথা--ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, রুপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম ও অর্থতত্ত্ব।
• রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ক্রিয়ার কাল, কারক, লিঙ্গ,উপসর্গ,প্রত্যয়,সমাস,বচন ইত্যাদি। 
• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ণত্ব ও যত্ব বিধান, সন্ধি, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি।
•  বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষ্য--বাক্যর গঠন প্রণালী, বীড়াম বা জটী চিহ্ন, বাগধারা ইত্যাদি।

ক) গাছে তুলে মই কাড়া
খ) এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
গ) ধরি মাছ না ছুঁই পানি
ঘ) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
Note :

গাছে তুলে মই কাড়া - সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা, 

এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো - একই স্বভাবের, 

ধরি মাছ না ছুঁই পানি - কৌশলে কার্যোদ্ধার, 

আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া - দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।

ক) দুল+অনা
খ) দোল্‌ + না
গ) দোল্‌ + অনা
ঘ) দোলনা + আ
Note :

যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।

ক) সমন্বয়ী
খ) অনন্বয়ী
গ) পদান্বয়ী
ঘ) অনুকার
Note :

”মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ” - বাক্যে ”মরি মরি” অনন্বয়ী শ্রেণির অব্যয়।

যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্যদের সঙ্গে কোন সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন উচ্ছাস প্রকাশের মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ! এছাড়া স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি সম্মতি প্রকাশে, যন্ত্রণা প্রকাশে, সম্ভাবনায় ইত্যাদিতে অনন্বয়ী অব্যয় হয়।

ক) সংখ্যার ধারণা
খ) গণনার ধারণা
গ) ক্রমের ধারণা
ঘ) পরিমাপের ধারণা
Note :

 বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যার ধারণা প্রকাশের উপায় বা সংখ্যাত্মক প্রকাশের উপায়কে বচন বলে। অর্থাৎ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ যে ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর প্রতিনিধিত্ব করছে বা বোঝাচ্ছে, সেই ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর সংখ্যা, অর্থাৎ সেটি একসংখ্যক না একাধিক সংখ্যাক, তা বোঝানোর পদ্ধতিকেই বচন বলে।

ক) আন
খ) আই
গ) আল
ঘ) অও
Note :

কৃৎ-প্রত্যয়ের (ধাতুর পর) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আও’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √পাকডু+আও =পাকড়াও;
- √চড়+আও – চড়াও;
- √বাঁচ+আও=বাঁচাও ৷

কৃৎ-প্রত্যয়ের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য শব্দ গঠনে ‘আই’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- √সিল+আই = সিলাই;
= √যাচ+আই = যাচাই;
- √চড়ু+আই চড়াই।

উল্লেখ্য, তদ্ধিত প্রত্যয়ের ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আই-প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- বড়+আই = বড়াই;
- পুষ্ট+আই = পোষ্টাই ।

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন