কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক বানান - সমীচীন।সমীচীন শব্দের অর্থ - সঙ্গত, উচিত,উপযুক্ত,ন্যায় সঙ্গত, যথার্থ । প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।
Related Questions
সন্ধির উদ্দেশ্য : সন্ধি মূলত দুটো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে করা হয়। সুতরাং যেখানে সন্ধির মাধ্যমে এই দুটি উদ্দেশ্যই পূরণ হবে, সেখানেই কেবল সন্ধি করা যাবে। এগুলো হলো -
১. সন্ধির ফলে উচ্চারণ আরো সহজ হবে (স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা),
২. সন্ধি করার পর শুনতে আরো ভালো লাগবে (ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন)।
যে সুবিন্যস্ত পদ সমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তাকে বাক্য বলে। বাক্যকে ভাষার মূল উপকরণ, বৃহত্তম একক ও ভাষার ছাদ বলা হয়।
- ভাষার মূল উপাদান : ধ্বনি
- ভাষার বৃহত্তম একক : বাক্য
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
- বাক্যের মৌলিক উপাদান : শব্দ
- বাক্যের মূল উপাদান : শব্দ
- বাক্যের মূল উপকরণ : শব্দ
- বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক : শব্দ, বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে পদ বলে।
- শব্দের মূল উপাদান : ধ্বনি
- শব্দের মূল উপকরণ : ধ্বনি
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
বহুবচন প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে কিছু শব্দ অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ হলো:
গ্রাম: অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে এটি ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, গুণগ্রাম বলতে গুণাবলি বোঝায়।
অন্যান্য শব্দের ব্যবহার:
গণ, বৃন্দ, মণ্ডলী, বর্গ: এগুলো উন্নত প্রাণিবাচক (মনুষ্য) শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, সুধীবৃন্দ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।
কুল, সকল, সব, সমূহ: এগুলো প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক উভয় ধরনের শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কবিকুল, পক্ষীকুল ইত্যাদি।
• বাংলা ব্যাকারণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি , যথা--ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, রুপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম ও অর্থতত্ত্ব।
• রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ক্রিয়ার কাল, কারক, লিঙ্গ,উপসর্গ,প্রত্যয়,সমাস,বচন ইত্যাদি।
• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ণত্ব ও যত্ব বিধান, সন্ধি, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি।
• বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষ্য--বাক্যর গঠন প্রণালী, বীড়াম বা জটী চিহ্ন, বাগধারা ইত্যাদি।
গাছে তুলে মই কাড়া - সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা,
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো - একই স্বভাবের,
ধরি মাছ না ছুঁই পানি - কৌশলে কার্যোদ্ধার,
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া - দুর্লভ বস্তু হাতে পাওয়া।
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দ (প্রাতিপদিক) এর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। যেমন দুল + অনা = দোলনা। এখানে মূল ক্রিয়াপদ 'দুল এবং প্রত্যয় হল 'অনা'।
জব সলুশন