ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কি বলে?
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।
Related Questions
বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান মার্কিন বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের。
গ্যালিলিও হচ্ছে পৃথিবী থেকে নাসার পাঠানো বৃহস্পতির একটি মনুষ্যবিহীন কৃত্রিম উপগ্রহ। এই কৃত্রিম উপগ্রহ/উপগ্রহটির নাম বিজ্ঞানী গ্যালিলিও - এর নামানুসারে নামকরণ করা হয়।
-হেল-বপ ধূমকেতু সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষণকৃত ধূমকেতু।
-এটি বহু দশক ধরে আকাশের উজ্জ্বলতম ধূমকেতু হিসেবে বিরাজ করেছিল। ১৮ মাস ধরে এটিকে খালি চোখে দৃশ্যমান ছিল, যা একটি রেকর্ড।
- Mammalia (স্তন্যপায়ী) পর্বের প্রাণীরা সবচেয়ে উন্নত মেরুদণ্ডী প্রাণী।
এদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো:
- এরা স্তন্যপান করে, অর্থাৎ তাদের মা তাদের সন্তানের জন্য দুধ উৎপন্ন করে।
- সন্তানপ্রসবের মাধ্যমে জন্ম দেয় (তবে কিছু স্তন্যপায়ী প্রজাতি যেমন মনি-মোলস এবং প্লাটিপাস ডিম পাড়ে)।
- এদের সাধারণত তাপমাত্রা রক্ষার জন্য পশম বা পশু কোষ থাকে।
এদিকে, কুমির হল Reptilia (সরীসৃপ) উপপর্বের প্রাণী।
- সরীসৃপরা ডিম পাড়ে এবং তাদের শরীরে পশম বা স্তন্যপান নেই।
- এরা আংশিকভাবে জলজ এবং স্থলজ জীব থাকে, এবং তাদের ত্বক শুষ্ক ও শক্ত থাকে।
সুতরাং, কুমির একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।
অন্যদিকে, তিমি, হাতি, এবং বাদুড় সবাই স্তন্যপায়ী প্রাণী।
আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। অপরের দিকে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিমি। এ হিসাবে সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৫০০ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।
বিশ্ববিখ্যাত মোনালিসা (Mona Lisa) চিত্রটির চিত্রকর হলেন ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। তিনি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যবর্তী সময়ে পপলার কাঠের ওপর তেলরঙে এই চিত্রকর্মটি আঁকা শুরু করেন。 বর্তমানে এই মাস্টারপিসটি ফ্রান্সের প্যারিসের ল্যুভ মিউজিয়াম (Louvre Museum)-এ সংরক্ষিত আছে।
জব সলুশন