কাচকে হঠাৎ উত্তপ্ত করলে ফেটে যায় কিন্তু ধাতু ফাটে না কারণ কাঁচ তাপ ---
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয় তাকে তাপ সুপরিবাহী পদার্থ বলে। ধাতুর তাপ সুপরিবাহী পদার্থ হওয়ায় এ কে উত্তপ্ত করলে তার মধ্য দিয়ে সহজেই প্রবাহিত হয় ফলে ধাতুর সকলে স্থান প্রসারিত হয়। তাই ধাতু ফাটে না। কিন্তু কাজ তাপ কুপরিবাহী পদার্থটি একে উত্তপ্ত করলে তাপ কাচের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে প্রবাহিত হয়। ফলে কাজকে হঠাৎ উত্তপ্ত করলে ফেটে যায়।
Related Questions
কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এর জন্য সাধারণত বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে কোন বড় সংখ্যা লেখার জন্য অক্টাল হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারে দশমিক পদ্ধতির ব্যবহার হয় না।
- ভারতবর্ষে ইসলামের আবির্ভাব ঘটে মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের মধ্য দিয়ে।
- তবে মুসলিম শাসনের সূচনা করেন গজনীর সুলতান মুহম্মদ ঘুরি তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে (১১৯২ খ্রি.) পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে।
- আর বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা তুর্কি বীর বখতিয়ার খলজী ।
'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' ষোড়শ শতাব্দীতে সম্রাট শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক। ব্রিটিশ আমলে শূন্য চলাচলের সুবিধা এবং ডাক বিভাগের উন্নতির উদ্দেশ্য সড়কের সংস্কার করে কলকাতা থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হয়। এ সময় এই সড়কটির নাম দেওয়া হয় 'গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড'।
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম আসে পর্তুগিজরা। ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
বাংলায় ফরাসীরা আসে ১৬৭৪ সালে।
ওলন্দাজদের আগমন ঘটে ১৬৫৩ সালে।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দীন।
খাজা নাজিমুদ্দীন; ১৯ জুলাই ১৮৯৪ – ২২ অক্টোবর ১৯৬৪) ছিলেন একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ। তিনি ঢাকার নবাব পরিবারের সদস্য ছিলেন। নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে নাজিমুদ্দিন দুইবার বাংলার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুহাম্মদ আলি জিন্নাহর মৃত্যু পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল হন।
১৯৫১ সালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খানের মৃত্যুর পর তিনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি রক্ষণশীল গড়নের ছিলেন এবং তাকে অজনপ্রিয় বিবেচনা করা হয়।
বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের মান (g) বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়। g এরমান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বিষুবীয় অঞ্চলের ব্যাসার্ধ অপেক্ষা কম। বিষুবরেখা হতে মেরুর দিকে যত বেশি যাওয়া যায় ব্যাসার্ধ তত কমতে থাকে এবং g এরমান তত বাড়তে থাকে। মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে বেশি হয়। অর্থাৎ ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
জব সলুশন