চূড়ান্ত মীমাংসা' অর্থ প্রকাশ করে কোন বাগধারা?
ক) সপ্তমে চড়া
খ) কেঁচো গণ্ডূষ
গ) এসপার ওসপার
ঘ) মণিকাঞ্চন যোগ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এসপার ওসপার বাগধারাটির অর্থ হলো চূড়ান্ত মীমাংসা বা একটা গতি করা। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে সপ্তমে চড়া অর্থ প্রচণ্ড উত্তেজিত হওয়া কেঁচো গণ্ডূষ অর্থ নতুন করে আরম্ভ করা এবং মণিকাঞ্চন যোগ অর্থ চমৎকার মিলন।
Related Questions
ক) দাড়ি
খ) কমা
গ) বিন্দু
ঘ) লোপচিহ্ন
Note : প্রাচীনকাল থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একমাত্র আদি যতিচিহ্ন হলো দাড়ি। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে কমা বিন্দু এবং লোপচিহ্ন পরবর্তী সময়ে ইংরেজি ভাষার অনুকরণে বাংলা ব্যাকরণে যুক্ত হয়েছে।
ক) আকাশ
খ) নক্ষত্র
গ) শ্রেণি
ঘ) পাখি
Note : আকাশ নক্ষত্র এবং শ্রেণি শব্দ তিনটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ কিন্তু পাখি শব্দটি তদ্ভব শব্দ হওয়ায় এটি উৎস বিবেচনায় ভিন্নজাতীয়।
ক) প্রত্যয়
খ) নির্দেশক
গ) বিভক্তি
ঘ) যোজক
Note : জন শব্দটি এখানে নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে প্রত্যয় শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গড়ে বিভক্তি বাক্যের পদগুলোর মধ্যে সম্বন্ধ তৈরি করে এবং যোজক একাধিক পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে।
ক) আ
খ) ই
গ) উ
ঘ) এ
Note : বাংলা স্বরধ্বনির উচ্চারণে যে স্বরধ্বনিগুলো পূর্ণভাবে উচ্চারিত না হয়ে আংশিকভাবে বা দুর্বলভাবে উচ্চারিত হয় তাদের অর্ধস্বর বলে। বাংলা ভাষায় সাধারণত ই উ এ এবং ও এই চারটি স্বরধ্বনি অর্ধস্বর হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে যেমন দ্বিস্বরধ্বনি তৈ বা লাউ গঠনে কিন্তু আ স্বরধ্বনিটি অত্যন্ত বলিষ্ঠ এবং এটি সর্বদা পূর্ণ স্বরধ্বনি হিসেবেই উচ্চারিত হয় এবং কখনো অর্ধস্বর হিসেবে উচ্চারিত হতে পারে না। তাই আ হলো সঠিক উত্তর।
ক) কীর্তনখোলা
খ) সংশপ্তক
গ) জাহান্নম হইতে বিদায়
ঘ) রাঙা প্রভাত
Note : শওকত ওসমান রচিত জাহান্নম হইতে বিদায় একটি অত্যন্ত বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অবর্ণনীয় নৃশংসতা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্বরতা এবং সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের জীবন্ত দলিল এই উপন্যাসটি। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে সেলিম আল দীনের কীর্তনখোলা একটি প্রখ্যাত নাটক শহীদুল্লা কায়সারের সংশপ্তক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও দেশভাগের পটভূমিতে রচিত এবং আবুল ফজলের রাঙা প্রভাত একটি সমাজ সচেতনতামূলক উপন্যাস। তাই জাহান্নম হইতে বিদায় হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা।
ক) আরণ্যক
খ) মহিষকুঁড়ার উপকথা
গ) অরণ্যবহ্নি
ঘ) পঞ্চগ্রাম
Note : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অরণ্যবহ্নি উপন্যাসটি ১৮৫৫ সালের ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত হয়েছে। এই উপন্যাসে সাঁওতালদের অধিকার আদায়ের লড়াই শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং বিদ্রোহের করুণ পরিণতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চিত্রিত হয়েছে। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক হলো অরণ্য জীবনের পটভূমিতে রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস মহাশ্বেতা দেবীর মহিষকুঁড়ার উপকথা গ্রামীণ অন্ত্যজ মানুষের জীবনচিত্র এবং তারাশঙ্করের পঞ্চগ্রাম রাঢ় অঞ্চলের সমাজচিত্র। সুতরাং অরণ্যবহ্নি হলো সাঁওতাল বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস।
জব সলুশন