‘চাঁদের হাট’ অর্থ কী?
চাঁদের হাট অর্থ প্রিয়জনদের সমাগম। অবসর জীবনে শরীফ সাহেব কৃতি সন্তানদের নিযে চাঁদের হাট বসিয়েছেন।
Related Questions
Building material - নির্মাণ সামগ্রী। খ. Something to cover a path - রাস্তা ঢাকার জন্য কোনো মিশ্রণ সামগ্রী। গ. Clear evidence - সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য প্রদান। ঘ. A cement mixer - সিমেন্টের মিশ্রণ। প্রদত্ত - sentence - এর concrete শব্দটির তিনটি অর্থ রয়েছে। যথা - সুনির্দিষ্ট বা বাস্তব, চুন বা বালির সাথে সিমেন্টের মিশ্রণে তৈরি নির্মাণ সামগ্রী এবং চুন বা বালির মিশ্রণ দ্বারা লেপ দেওয়া। concrete শব্দের পর proof শব্দটি ব্যবহার করায় concrete শব্দটির অর্থ যে সুনির্দিষ্ট বা বাস্তব এটি অত্যন্ত স্পষ্ট। সুতরাং প্রদত্ত choice গুলোর মধ্যে 'গ' বাক্যের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং সঠিক উত্তর 'গ'।
সাধারণত দুয়ের মধ্যে কিংবা দুয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতিটিকে আলাদাভাবে বুঝিয়ে যখন এদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া বোঝানো হয় তখন ব্যবহৃত হয় between . আর দুয়ের অধিক ব্যক্তি, বস্তু বােঝালে অথবা ব্যক্তি বা বস্তুর group বুঝালে তখন among ব্যবহৃত হয় । সুতরাং সঠিক উত্তর (D)।
ক. deny - অস্বীকার করা, খ. defy - আহবান করা, গ. denounce - অভিযুক্ত করা , মূলত বাক্যটির অর্থ হতে পারে , কেহই.... করতে পারে না যে সে চালাক। এ প্রেক্ষিতে শূন্যস্থানে অস্বীকার করা (deny) এর ব্যবহারই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। সুতরাং সঠিক উত্তর 'ক'।
ড্রাই আইস (Dry Ice) বা শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই অক্সাইডের কঠিন রূপ。 সাধারণ বরফের মতো এটি গলে পানিতে পরিণত হয় না, বরং তাপমাত্রার সংস্পর্শে এলে সরাসরি গ্যাসে রূপান্তরিত হয় (সাবলিমিশন বা ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়া)
যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয়, তাদের আইসোটোপ বলা হয়
অন্যদিকে,
- যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা(এটমিক সংখ্যা) ভিন্ন, সেসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।
- আইসোটোনের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান এবং
- আইসোমারের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংক্যা ও ভরসংখ্যা সমান ,কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন।
মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ ভূ - পৃষ্ঠে।
অভিকর্ষজ ত্বরণ ওপর থেকে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার। অভিকর্ষের কারণে ওপর থেকে ছেড়ে দেয়া বস্তু ভূপৃষ্ঠের দিকে ধাবিত হয় এবং যতই ভূপৃষ্ঠের (তথা ভূ - কেন্দ্রের) নিকটবর্তী হয় এর পতনের বেগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পতনকালে প্রতি সেকেণ্ডে বেগ যতটুকু বৃদ্ধি লাভ করে তা - ই ‘অভিকর্ষজ ত্বরণ’ হিসেবে পদার্থ বিজ্ঞানে অভিহিত। অভিন্ন বস্তু তথা একই ভরের বস্তু পতনকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ত্বরণ পরিলক্ষিত হয়। ভূ - কেন্দ্রের নৈকট্যের কারণে ত্বরণ বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীতে অভিকর্ষ ত্বরনের মান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড।
জব সলুশন