ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?

ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
খ) স্যার সৈয়দ আহমেদ
গ) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ও প্রধান ভূমিকা পালন করেন । ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাক্ষেত্রের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি ও অন্যান্য মুসলিম নেতারা ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি জানান। তাঁর নিজস্ব জমি থেকে প্রায় ৬০০ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রদান করেছিলেন । 

Related Questions

ক) খাজা নাজিম উদ্দীন
খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
গ) লিয়াকত আলী খান
ঘ) নূরুল আমিন
Note :

- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন।
- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান আততায়ীর হাতে নিহত হলে প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিম উদ্দীন।
- পাকিস্তানের  প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী  ছিলেন 'নূরুল আমিন'।

ক) খাগড়াছড়ি জেলায়
খ) কক্সবাজার জেলায়
গ) বান্দরবান জেলায়
ঘ) রাঙ্গামাটি জেলায়
Note :

- আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।
- স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা।
- গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট ।

ক) হেমন্ত সেন
খ) বলাল সেন
গ) লক্ষণ সেন
ঘ) কেশব সেন
Note :

- লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তার প্রথম পুত্র বিশ্বরূপ সেন (১২০৬ - ১২২৫) রাজা হন।
- বিশ্বরূপ সেনের পর রাজা হন লক্ষ্মণ সেনের দ্বিতীয় পুত্র কেশব সেন(১২২৫-১২৩০)।
- কেশব সেনই ছিলেন সেন বংশের শেষ শাসনকর্তা।
- যদিও বিশ্বরূপের শাসনামলেই কেশব সেন বিক্রমপুর শাসন করেন।

ক) পুণ্ডু
খ) তাম্রলিপ্তি
গ) গৌড়
ঘ) হরিকেল
Note :

- প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোন অখন্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেওয়া হয় জনপদ।
- এ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার ছোট বড় ১৬ টি জনপদের কথা জানা যায়।
- তাদের মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র নামে একটি জাতি বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী,রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- প্রাচীন গৌড় জনপদ ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গড়ে ওঠে।
- হরিকেল জনপদটির অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে, মনে করা হয় আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল।
- হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিঙের প্রাণকেন্দ্র।

ক) সমরেশ মজুমদার
খ) শওকত ওসমান
গ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
ঘ) সমরেশ বসু
Note :

বাংলা সাহিত্যের কয়েকজন লেখক ও তাদের ছদ্মনামঃ
- সমরেশ বসু = কালকূট
- সমরেশ বসু = ভ্রমর
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় = অনিলা দেবী
- সতীনাথ ভাদুড়ী = চিত্রগুপ্ত
- বিমল মিত্র = জাবালি
- কালিকানন্দ = অবধূত
- বিমল ঘোষ = মৌমাছি
- প্রিয়দর্শী - সৈয়দ মুজতবা আলী
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় = যাযাবর

ক) রোজ গার্ডেনে
খ) সিরাজগঞ্জে
গ) সন্তোষে
ঘ) সুনামগঞ্জে
Note :

কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ তাৎপর্যবাহী জাতীয় সম্মেলন যা পরবর্তীতে পাকিস্তানের বিভক্তি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যূদয়ে বিশেষ ইঙ্গিতবহ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৫৭ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী নামক স্থানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ৭ই ফেব্রুয়ারি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি আরম্ভ হয়।ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী ও সন্তোষ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল তৎকালীন কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন ও আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন।

জব সলুশন

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-সিনিয়র স্টাফ নার্স 28-09-2026

পরমাণু শক্তি কমিশনের-মেডিকেল অফিসার (বিষয়ভিত্তিক ব্যতীত) 25-09-2026

বন অধিদপ্তর-ডেমনস্ট্রেটর (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) ২২-০৯-২০২৬

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 18-09-2026

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-টিকেট ক্লার্ক/রেকর্ড কিপার 05-09-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন