‘মাৎসান্যায়’ বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় অরাজকতা, আত্মকলহ এবং বিদেশী আক্রমণ নেমে আসে।
- বাংলা বা বাঙ্গাল পুণ্ড্রবর্ধন, কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্ত, সমতট ইত্যাদি অঞ্চলে ভাগ হয়ে যায়।
- ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বণিকরা ক্ষমতা দখলে নেমে পড়ে।
- এ অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম-৮ম শতক) বাংলার ইতিহাসকে মাৎস্যন্যায় (বড় মাছ ছোট মাছ খেয়ে ফেলার রূপক অরাজকতা) বলা হয়ে থাকে।
Related Questions
হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে বসেন - সৈয়দ হোসেন। সুলতান হয়ে তিনি ''আলাউদ্দিন হুসেন শাহ'' উপাধি গ্রহণ করেন। - এভাবেই বাংলায় ''হুসেন শাহী বংশ'' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়। রাজধানী ছিল - গৌড়। বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহী আমল (১৪৯৩ - ১৫৩৮) ছিল সবচেয়ে গৌরবময়। আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। এ সময় বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। আলাউদ্দীন হোসেন শাহ তাঁর রাজধানী গৌড় হতে একডালাতে স্থানান্তর করেন। তাঁর শাসনকালে বঙ্গে জ্ঞান–বিজ্ঞান ও শিল্পকলার অভাবিত উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এজন্য তার শাসনকালকে বঙ্গের মুসলমান শাসনের ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ও প্রধান ভূমিকা পালন করেন । ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের পর পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের শিক্ষাক্ষেত্রের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তিনি ও অন্যান্য মুসলিম নেতারা ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোরালো দাবি জানান। তাঁর নিজস্ব জমি থেকে প্রায় ৬০০ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রদান করেছিলেন ।
- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন।
- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান আততায়ীর হাতে নিহত হলে প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিম উদ্দীন।
- পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন 'নূরুল আমিন'।
- আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।
- স্থানীয়রা একে বলে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা।
- গুহাটি দেখতে অনেকটা ভূগর্ভস্থ টানেলের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট ।
- লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তার প্রথম পুত্র বিশ্বরূপ সেন (১২০৬ - ১২২৫) রাজা হন।
- বিশ্বরূপ সেনের পর রাজা হন লক্ষ্মণ সেনের দ্বিতীয় পুত্র কেশব সেন(১২২৫-১২৩০)।
- কেশব সেনই ছিলেন সেন বংশের শেষ শাসনকর্তা।
- যদিও বিশ্বরূপের শাসনামলেই কেশব সেন বিক্রমপুর শাসন করেন।
- প্রাচীনকালে বাংলা নামে কোন অখন্ড রাষ্ট্র ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেওয়া হয় জনপদ।
- এ পর্যন্ত প্রাচীন বাংলার ছোট বড় ১৬ টি জনপদের কথা জানা যায়।
- তাদের মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র নামে একটি জাতি বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী,রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- প্রাচীন গৌড় জনপদ ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গড়ে ওঠে।
- হরিকেল জনপদটির অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে, মনে করা হয় আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদের বিস্তৃতি ছিল।
- হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিঙের প্রাণকেন্দ্র।
জব সলুশন