‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙক্তিটির রচয়িতা -
”মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।” - - পঙ্ক্তিটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ - ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ - ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।
তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।
Related Questions
- চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪) উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচনা করেন।
- তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে মাত্র ৩ টি উপন্যাস, ৩ টি নাটক এবং কিছু ছোটগল্প লিখেগিয়েছেন।
- মাত্র ৪৯ বছর বয়সে, ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে তাঁর মৃত্যু হয়, গভীর রাতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি লেখা হয় ফ্রান্সের একটি গ্রামে।
- তখন এটার ইংরেজি অনুবাদ ও বের হয়। (Dark Moon / Night of No Moon)
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরেফ আলী নামের একজন যুবক শিক্ষক।
- তিনি বড় বাড়ির প্রধান মুরুব্বী দাদা সাহেব আলফাজউদ্দিন চৌধুরীর আশ্রিত।
- গ্রামের স্কুলে তিনি পড়ান।
- গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র দাদা সাহেবের ছোট ভাই কাদের মিঞা।
- কাদের মিঞা তার বড় ভাই এবং অন্যদের কাছে দরবেশ হিসেবে প্রসিদ্ধ।
বিষাদ-সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও প্রাচীনতম উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হিজরি ৬১ সালে সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ ও এর পূর্বাপর ঘটনাবলী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক ‘বহিপীর’।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বহিপীর অসংখ্য ভক্তের আঞ্চলিক ভাষাকে রপ্ত করতে না পারার কারণে বইয়ের ভাষায় কথা বলেন এবং ভক্তদেরকেও বইয়ের ভাষায় কথা বলতে উৎসাহিত করেন বলে তাকে বহিপীর বলা হয়। বহিপীর ধর্মকে কিভাবে নিজের সুবিধার্থে কাজে লাগিয়ে শাসক ও শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা নাটকটিতে খোদেজা, হকিকুল্লাহ। মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক ‘কবর’ ফুটে উঠেছে চরিত্র: বহিপীর, তাহেরা, হাতেম, হাসেম, (১৯৬৬); মামুনুর রশীদ রচিত নাটক 'ওরা কদম আলী' (১৯৭৬); সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' (১৯৭৬)।
জীবন আমার বোন' মাহমুদুল হকের অন্যতম প্রধান সৃষ্টি, বাংলা কথাসাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন, সার্বিক বিবেচনায় একটি শিল্পসফল উপন্যাস। এ উপন্যাসের অধিকাংশ পরিসরজুড়ে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ঠিক আগের, সমাজ ও রাজনীতির উত্তেজনা জায়গা করে নিয়েছে। তার বিশ্নেষণও রয়েছে।
কালো বরফ - প্রধান চরিত্র আবদুল খালেক;
খেলাঘর - রেহানা, মুকুল, ইয়াকুব;
অনুর পাঠশালা - প্রধান চরিত্র অনু
পংক্তিটি কামিনী রায় রচিত "পরার্থে" কবিতা থেকে গৃহীত হয়েছে।
- কামিনী রায় একজন প্রথিতযশা বাঙালি কবি, সমাজকর্মী এবং নারীবাদী লেখিকা।
- তিনি একসময় 'জনৈক বঙ্গমহিলা' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া।
এছাড়াও তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ
- নির্মাল্য,
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- দীপ ও ধূপ,
- জীবন পথে,
- অম্বা,
- পৌরাণিকী,
- অশোক সঙ্গীত,
- গুঞ্জন ইত্যাদি।
ছোট গল্প রবিবারের মূল চরিত্র অভীক ও বিভা । এর মূল উপজীব্য ধর্মদর্শন।
নষ্টনীড় - চারু, অমল ও ভূপতি
নামঞ্জুর - অমিয়া, অনিল
ল্যাবরেটরি - নন্দকিশোর, সোহিনী
জব সলুশন