‘ব্যক্ত প্রেম’ ও গুপ্ত প্রেম; কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যপ্রতিভার পূর্ণ বিকাশ হয় মানসী কাব্যে। এটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ মোট ৫৬টি।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
- বনফুল (১৮৮০)
- কবিকাহিনী
- চিত্রাঙ্গদা
- সোনার তরী
- নদী
- চিত্রা
- চৈতালি
- পুনশ্চ
- গীতাঞ্জলি
- বনবাণী
- আকাশপ্রদীপ
- পত্রপুট
- শ্যামলী
- সেঁজুতি
- কল্পনা
- ক্ষণিকা
- পূরবী
- মহুয়া
- সন্ধ্যাসঙ্গীত
- ছবি ও গান
- শৈশব সঙ্গীত
- ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
- কড়ি ও কোমল ইত্যাদি
Related Questions
- শনিবারের চিঠি বাংলাভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য সাময়িকী, যা বিংশ শতকের প্রথমার্ধে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক কাগজ এবং এর মূল স্বত্বাধিকারী ছিলেন অশোক।
- চট্টোপাধ্যায় যোগানন্দ দাস এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।
বঙ্গদর্শনঃ ১৮৭২ সালে বাংলা সাহিত্যের স্থপতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮ - ১৮৯৪) খ্রি. প্রথম 'বঙ্গদর্শন ' পত্রিকাটি প্রকাশ করেন এবং তিনিই এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক।
তত্ত্ববোধিনীঃ 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। এটি ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র ছিল। এটি প্রথম প্রকাশি হয় ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট।
সংবাদ প্রভাকরঃ এটি ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি দৈনিক বাংলা সংবাদপত্র। ১৮৩১ সালে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে এটি চালু হয় এবং আট বছর পর ১৮৩৯ সালে এটি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়। এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র।
বাঙ্গালী ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস।
- এটি তার রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস।
- এটি ১৯১৪ সালের ১৫ জুলাই (১৩২১ বঙ্গাব্দে) কলকাতা থেকে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাঙালি মুসলমান সমাজে মীর মশাররফ হোসেন রচিত “বিষাদ সিন্ধু”র পর এটিই সর্বাধিক পঠিত ও জনপ্রিয় উপন্যাস।
তাঁর অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদতারা বা হাসান গঙ্গা বাহমণি (১৯১৭),
- পরিণাম (১৯১৮),
- গরীবের মেয়ে (১৯২৩),
- প্রেমের সমাধি (১৯১৫),
- দুনিয়া আর চাইনা (১৯২৪) ও
- মেহেরুন্নিসা ইত্যাদি।
তার দুটি গুরুত্তপুর্ণ গ্রন্থ বিলাতী বর্জন রহস্য (১৯০৪) ও সাহিত্য প্রসঙ্গ (১৯০৪) ।
”মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান।” - - পঙ্ক্তিটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ - ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ - ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক।
তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে “গুরুদেব”, “কবিগুরু” ও “বিশ্বকবি” অভিধায় ভূষিত করা হয়।
- চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪) উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচনা করেন।
- তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে মাত্র ৩ টি উপন্যাস, ৩ টি নাটক এবং কিছু ছোটগল্প লিখেগিয়েছেন।
- মাত্র ৪৯ বছর বয়সে, ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসে তাঁর মৃত্যু হয়, গভীর রাতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসটি লেখা হয় ফ্রান্সের একটি গ্রামে।
- তখন এটার ইংরেজি অনুবাদ ও বের হয়। (Dark Moon / Night of No Moon)
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র আরেফ আলী নামের একজন যুবক শিক্ষক।
- তিনি বড় বাড়ির প্রধান মুরুব্বী দাদা সাহেব আলফাজউদ্দিন চৌধুরীর আশ্রিত।
- গ্রামের স্কুলে তিনি পড়ান।
- গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র দাদা সাহেবের ছোট ভাই কাদের মিঞা।
- কাদের মিঞা তার বড় ভাই এবং অন্যদের কাছে দরবেশ হিসেবে প্রসিদ্ধ।
বিষাদ-সিন্ধু হল মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ও প্রাচীনতম উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। হিজরি ৬১ সালে সংঘটিত কারবালার যুদ্ধ ও এর পূর্বাপর ঘটনাবলী এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক ‘বহিপীর’ (১৯৬০)।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বহিপীর অসংখ্য ভক্তের আঞ্চলিক ভাষাকে রপ্ত করতে না পারার কারণে বইয়ের ভাষায় কথা বলেন এবং ভক্তদেরকেও বইয়ের ভাষায় কথা বলতে উৎসাহিত করেন বলে তাকে বহিপীর বলা হয়।
- বহিপীর ধর্মকে কিভাবে নিজের সুবিধার্থে কাজে লাগিয়ে শাসক ও শোষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে, তা নাটকটিতে খোদেজা, হকিকুল্লাহ।
- মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক ‘কবর’ ফুটে উঠেছে। চরিত্র: বহিপীর, তাহেরা, হাতেম, হাসেম, (১৯৬৬);
- মামুনুর রশীদ রচিত নাটক 'ওরা কদম আলী' (১৯৭৬);
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' (১৯৭৬)।
জব সলুশন