The is the plural form of the word “louse”?
কতগুলো noun (mouse, goose, louse) - এর মধ্যবর্তী vowel পরিবর্তন করে plural করা হয়। সুতরাং louse (উকুন) - এর plural form হলো lice।
Related Questions
জোনাথন সুইফট ছিলেন বিখ্যাত অ্যাংলো-আইরিশ প্রাবন্ধিক, ব্যাঙ্গাত্মক-কবিতা লেখক ও পাদ্রী। তিনি ডাবলিনের সেন্ট প্যাট্রিক ক্যাথেড্রালের ডীন নিযুক্ত হয়েছিলেন। ১৭২৬ সালে গালিভার'স ট্রাভেলস নামের একটি ইংরেজি উপন্যাস রচনা করে তিনি স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। এটিকে ইংরেজি সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ মনে করা হয়।
'Man and Superman ' হচ্ছে George Bernard Shaw (1856 - 1950) - এর একটি comedy। ।George Bernard Shaw কে আধুনিক যুগের ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার বলা হয়। তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
বাংলা গদ্যের জনক ও বাংলা গদ্যে প্রথম যতি চিহ্ন ব্যবহারকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম 'আত্মচরিত্র' ।
• এ গ্রন্থে তার শৈশব জীবনের কথা, পিতা, পিতামহ ও জননীর কথা বর্ণনা করেছেন ।
• তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থঃ বেতালপঞ্চবিংশতি, ভ্রান্তিবিলাস, প্রভাবতী সম্ভাষণ, বর্ণপরিচয়, বোধেদয়, সীতার বনবাস, ব্রজবিলাস ।
বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজসভায় কবি। রাজা শিবসিংহ তাকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেন। তার রচিত কয়েটি বইয়ের নাম - পুরুষ পরীক্ষা, কীর্তিলতা, গঙ্গাবাক্যাবলি, ভাবগত ইত্যাদি। কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে এ উপাধি প্রদান করেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে - 'অন্নদামঙ্গল' আরাকান রাজসভার কবিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলো : দৌলিত কাজী, মরদন, কোরেশী মাগন ঠাকুর , আলাওল।
• আরাকান রাজসভার অমাত্য কোরেশী মাগন ঠাকুর রচিত কাব্য 'চন্দ্রাবতী' ।
• কবি এ দেশে প্রচলিত রূপকথার কাহিনিকে তার কাব্যের উপজীব্য করেছিলেন এবং যেভাবে তিনি রূপায়িত করেছেন তাতে তার মৌলিক প্রতিভার পরিচয় ফুটে উঠেছে ।
• ভদ্রাবতী নগরের রাজপুত্র বীরভান মন্ত্রীপুত্র সুতের সহায়তায় কীভাবে সরন্দ্বীপ রাজকন্যা অপূর্বসুন্দরী চন্দ্রাবতীকে লাভ করেছিলেন তা-ই এ কাব্যে বর্ণিত হয়েছে ।
দৌলত উজির বাহরাম খান (আনু. ১৬শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি। তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন। পীরভক্ত বাহরাম খানের প্রকৃত নাম আসাউদ্দীন। তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।
বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজন ও ইমাম-বিজয়। উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য। লায়লী-মজনু মূলত আধ্যাত্মিক কাব্য, কিন্তু বাংলা অনুবাদে তা পরিণত হয়েছে মানবিক প্রেমকাব্যে। বাহরাম খানই প্রথম লায়লী-মজনুর মতো বিশ্বখ্যাত বিরহমূলক প্রেমকাহিনী নিয়ে বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
একই কাহিনী অবলম্বনে মুহম্মদ খাতের ১৮৬৪ সালে দোভাষী পুথি এবং শেখ ফজলুল করিম ১৯০৩ সালে আখ্যানকাব্য রচনা করেন।
জব সলুশন