নিচের কোন শব্দে ণত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহার হয়েছে?
'কল্যাণ' 'নিক্কণ' ও 'বিপণি' - শব্দগুলো 'ণ' - এর স্বভাবগত নিয়মে গঠিত হয়েছে। অন্যদিকে প্র, পরি, নির - এ তিনটি উপসর্গের পর 'প' - বর্গের ৫ টি (প, ফ,ব,ভ,ম) বর্ণ থাকলে তারপরে 'ন' ধ্বনি থাকলে তা মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
Related Questions
বিশেষণ পদ সরাসরি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষায়িত/মডিফাই করে।
লক্ষ করুনঃ
ছেলেটি অনেক_____
শুন্যস্থানে ভাল/ গম্ভীর / চঞ্চল / বুদ্ধিমান / উদার / কঠিন / চতুর/ সরল ইত্যাদি বসানো যায়। এইগুলো ছেলেটিকে (বিশেষ্য) সরাসরি মডিফাই করেছে তাই এগুলো বিশেষণ পদ।
আবার, ছেলেটির ____আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই শূন্যস্থানে গাম্ভীর্য / চাঞ্চল্য / ঔদার্র / চাতুর্য / কাঠিন্য / সারল্য ইত্যাদি বসানো যায়। এখানে এই পদগুলো ছেলেটির গুন / দোষ বোঝানো হয়েছে। তাই এইগুলো বিশেষ্য পদ।
বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ্ বহুব্রীহি বলে। নঞ্ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়। যেমন :নেই নমন যার = অনমনীয়, ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান, বে (নাই) হেড যার = বেহেড, না (নাই) চারা (উপায়) যার = নাচার। নি (নাই) ভুল যার = নির্ভুল, না (নয়) জানা যা = নাজানা, অজানা ইত্যাদি। এরকম-নাহক, নিরুপায়, নির্ঝঞ্ঝাট, অবুঝ, অকেজো, বেপরোয়া, বেহুঁশ, অনন্ত, বেতার ইত্যাদি।
বাকিগুলো হলোঃ
জন দ্বারা শ্রুতি = জনশ্রুতি (তৃতীয়া তৎপুরুষ) ; তপের নিমিত্ত বন = তপোবন (চতুর্থী তৎপুরুষ) ; খাস যে মহল= খাসমহল (কর্মধারয়);
* সভাসদ (সভা+সদ) ও ফলবান (ফল+বান) প্রত্যয়যোগে সঠিত শব্দ ।
* তম্বী (তনু+ঈ) প্রত্যয় ও সন্ধি-উভয় সাধিত শব্দ ।
* 'শুভেচ্ছা' শব্দটি সন্ধিসাধিত শব্দ । 'অ' কার কিংবা 'আ' কারের পর 'ই' কার অথবা 'ঈ' কার থাকলে উভয়ে মিলে 'এ' কার হয় । যেমনঃ আ+ই = এ, শুভ+ইচ্ছা = শুভেচ্ছা ।
‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ: জ্ + ঞ। এছাড়া এ যুক্ত বর্ণ দ্বারা গঠিত শব্দ: জ্ঞান, সংজ্ঞা ইত্যাদি।
পূর্ণমাত্রাযুক্ত বর্ণ ৩২ টি: তারমধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি (অ আ ই ঈ উ ঊ) । ব্যঞ্জণবর্ণ ২৬টি (ক ঘ চ ছ জ ঝ ট ঠ ড ঢ ত দ ন ফ ব ভ ম য র ল ষ স হ ড় ঢ় য়)অ
অর্ধমাত্রাযুক্ত বর্ণ ৮টি: স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) ব্যঞ্জণবর্ণ ৭টি (খ গ ণ থ ধ প শ)
মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি: স্বরবর্ণ ৪টি (এ ঐ ও ঔ) ব্যঞ্জণবর্ণ ৬টি (ঙ ঞ ৎ ং ঃ ঁ)
সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। বাংলা ‘বন্ধন’ শব্দেরও বন্ + ধন্এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব + ন্ + ধ + ন্– এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ।
জব সলুশন