বাগাড়ম্বর শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ -
বাগাড়ম্বর” শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ - - বাক্ + আড়ম্বর।
স্বরবর্ণ পড়ে থাকলে বর্গের প্রথম বর্ণ স্থানে সেই বর্গের তৃতীয় বর্ণ হয়। অর্থাৎ ক, চ, ট, ত, প স্থানে যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব হয়।
Related Questions
গঠন অনুসারে বাংলা শব্দ দুই প্রকার। যথা : মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ । যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেসব শব্দকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন - গোলাপ, তিন, নাক, লাল, মা, পা ইত্যাদি। অন্যদিকে মানব [মনু + ষ্ণ(অ) ], একাঙ্ক (এক + অঙ্ক) ও ধাতব [ধাতু + ষ্ণ (অ) ] সাধিত শব্দ ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিল।
- বসন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ঋতুনাট্য।
- ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ১০ ফাল্গুন নাটকটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি পালাগান এবং নাটকের আঙ্গিকে রচিত রবীন্দ্রনাথের প্রথম পালাগান।
- এটি কবির প্রথম ঋতুনাট্যও বটে। নাটকের বিষয়বস্তু বসন্তের আগমন ও বিদায়।
- নাটকে ব্যবহৃত গানগুলি গীতবিতান গীতিসংকলনের প্রকৃতি পর্যায়ের বসন্ত উপপর্যায়ের অন্তর্গত।
- রবীন্দ্রনাথ নাটকটি উৎসর্গ করেন কাজী নজরুল ইসলামের উদ্দেশ্যে।
- পরে এই নাটকটি ঋতু - উৎসব (১৯২৬) সংকলন গ্রন্থে সংকলিত হয়।
"কাক নিদ্রা" একটি বাগধারা। প্রদত্ত বাগধারাটির অর্থ - অগভীর সতর্ক নিদ্রা। যেমন : তার চোখে তো ঘুম নেই, তার তো কাক নিদ্রা।
কথা সাহিত্যক শওকত ওসমানের প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
গ্রন্থাগারে প্রকাশিত তার প্রথম গ্রন্থ জননী।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - ক্রীতদাসদের হাসি, চৌরসন্ধি, জাহান্নাম হয়তে বিদায়, নেকড়ে অরণ্য।
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদের ভাষায় ৫টি ভাষার মিশ্রণ পরিলক্ষিত হয়ঃ বাংলা, হিন্দি, মৈথিলী, অসমীয়া ও উড়িয়া।
- চর্যাপদের ভাষা বাংলা ভাষার অদ্যাবধি আবিষ্কৃত আদিতম রূপ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তার বইয়ে চর্যাপদের ভাষাকে বঙ্গকামরূপী নামে আখ্যা দেন।
- সাধারণত, চর্যাপদ এর ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যাভাষা বা আলো-আধাঁরী ভাষা। চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
প্রশ্নে চাঁদমুখ বা চন্দ্রমুখ যাই বলুক না কেনো তা উপমিত কর্মধারয় সমাস উত্তর দিতে হবে এবং ব্যাসবাক্য হবে মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ। এখানে অপশনের ব্যাসবাক্যে যেহেতু মুখ চাঁদের ন্যায় কিংবা চাদের ন্যায় মুখ নাই তাই চাঁদ রূপ মুখ দিতে হবে, এক্ষেত্রে এটা রূপক কর্মধারয় হয়ে যাবে। এটা জগদীশ ঘোষ স্যারের আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ মতে।
জব সলুশন