নিচের কোনটি সাধুরীতির উদারহরণ ?
তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে" - এটি সাধু রীতির একটি উদাহরণ। সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ (যেমন: নামিয়া) এবং সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
উপপদ তৎপুরুষ সমাস: যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ - প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: জলে চরে যা - জলচর, পকেট মারে যে - পকেটমার।
’দুর্নীতি জাতির সকল উন্নতির অন্তরায়’- 'ভাব-সম্প্রসারণ' এ আলোচিত হয়।
ভাব-সম্প্রসারণ
• ভাব-সম্প্রসারণে ভাবের সম্প্রসারণ ঘটে।
• কোনো কবিতা বা গদ্যরচনার অংশকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করাকে ভাব-সম্প্রসারণ বলে।
'অন্ধের যষ্টি' এবং 'অক্কা পাওয়া' শব্দ দুটি ভিন্নার্থক। এদের অর্থ নিচে দেওয়া হলো: অন্ধের যষ্টি: এর অর্থ হলো একমাত্র সম্বল বা নির্ভর করার মতো একমাত্র উপায়। অক্কা পাওয়া: এর অর্থ হলো মারা যাওয়া।
অনুতাপ একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ
এর ব্যাসবাক্য হলো: তাপের পশ্চাৎ。এখানে 'অনু' উপসর্গটি 'পশ্চাৎ' বা অনুগামী অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে
অনিষ্ট করতে গিয়ে ভাল করা কে বলে - শাপে বর ।
উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-
* সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
* সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
* এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
* সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।
* সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
* সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।
জব সলুশন