বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রচলন করেন-
বাংলা গদ্যে প্রথম বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর । তিনি ১৮৪৭ সালে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থের মাধ্যমে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন ।
Related Questions
টোপর একটি দেশী শব্দ। বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ আর্যদের আগমনের আগে এ অঞ্চলের আদিবাসীদের (যেমন- কোল, মুন্ডা, সাঁওতাল) ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলোকে দেশী শব্দ বলা হয়।
সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অভাব - অভিযােগ, সমস্যা নিরসনে অথবা সুযােগ - সুবিধা প্রার্থনা করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত পত্রের নাম আবেদনপত্র।
পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন: হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী, খোশ মেজাজ যার = খােশ মেজাজ প্রভৃতি ।
"বৃক্ষটি সমূলে উৎপাটিত হয়েছে" বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ | কারণ: উৎপাটিত' শব্দের অর্থ হলো মূল বা শিকড় উপড়ে ফেলা。 তাই এর সাথে আলাদা করে 'মূল' বা 'সমূলসহ' শব্দ ব্যবহার করা হলে বাহুল্য বা দ্বিরুক্তি দোষ ঘটে。 সঠিক প্রয়োগ হলো "সমূলে উৎপাটিত" (অর্থাৎ, মূলসহ উৎপাটিত) অথবা "মূলসহ উৎপাটিত"
তখন গভীর ছায়া নামিয়া আসিল সবখানে" - এটি সাধু রীতির একটি উদাহরণ। সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ (যেমন: নামিয়া) এবং সর্বনাম পদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
উপপদ তৎপুরুষ সমাস: যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ - প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: জলে চরে যা - জলচর, পকেট মারে যে - পকেটমার।
জব সলুশন