দেখা যায়নি যা'-
দেখা যায়নি যা- অদৃশ্য;
যা পূর্বে দেখা যায়নি- অদৃষ্টপূর্ব।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশঃ
• ভোজন করার ইচ্ছা- বুভুক্ষা
• যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না- সংশপ্তক
• দিনে একবার আহার করে যে- একাহারী
• উপকারীর অপকার করে যে- কৃতঘ্ন
• যে নারী বীর- বীরাঙ্গনা।
Related Questions
যে নারীর হাসি সুন্দর - সুস্মিতা।
যে নারীর হাসি পবিত্র- শুচিস্মিতা ।
যে নারী অন্যের নিন্দা করে না - অনসূয়া।
সরোবরে জন্ম যার - সরোজ।
যে নারী প্রিয় কথা বলে = প্রিয়ংবদা।
যে নারী প্রিয় বাক্য বলে = প্রিয়ভাষী।
যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় = স্বয়ংবরা।
যে নারী (মেয়ের) বিয়ে হয়নি = কুমারী।
যে নারীর বিয়ে হয় না = অনূঢ়া।
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে = নবোঢ়া।
যে নারীর কোন সন্তান হয় না = বন্ধ্যা।
যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে = কাকবন্ধ্যা।
যে নারীর সন্তান বাঁচে না = মৃতবৎসা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত = অবীরা।
যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত = বীরা বা পুরন্ধ্রী।
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে = বীরপ্রসূ।
যে নারী বীর = বীরাঙ্গনা।
যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল = অন্য পূর্বা।
যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয়না = অনন্যা।
যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই = অসূর্যম্পশ্যা।
নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই = অনসূয়া।
যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা।
যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত = শুচিস্মিতা।
যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে = প্রোষিতভর্তৃকা।
অনাথ এর স্ত্রীলিঙ্গ: অনাথা, অনাথিনী।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্গান্তর:
মদ্দা ঘোড়া - মাদি ঘোড়া।
শুক - শারি।
দুলহা - দুলাইন।
ঠাকুর - ঠাকুরন/ ঠাকরুন/ ঠাকুরানী।
হুজুর - হুজুরাইন।
মানুষ - মানুষী।
গো - গবী।
বিধাতা - বিধাত্রী।
- ‘ভরাডুবি’ বাগধারাটির অর্থঃ সর্বনাশ।
অন্যদিকে,
- ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটি অর্থ - চির অশান্তি।
- 'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ- 'গুরুভার'।
- 'শাপে বর' বাগধারাটির অর্থ- অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
⇒ ‘Look before you leap’ একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ (Proverb)। প্রবাদের অনুবাদ সাধারণত আক্ষরিক হয় না, বরং ভাবানুবাদ বা সমার্থক প্রবাদ ব্যবহার করতে হয়।
⇒ এর আক্ষরিক অর্থ "লাফ দেওয়ার আগে তাকাও", কিন্তু এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা।
⇒ বাংলা ভাষায় এই ভাবটি প্রকাশ করার জন্য যে প্রবাদটি ব্যবহৃত হয় তা হলো— "ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না"।
দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে হাইফেন বসে।
সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেনের ব্যবহার করা হয়। দুই শব্দের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। তবে হাইফেন থাকলে থামার প্রয়োজন হয় না। যেমন:
» এ আমাদের শ্রদ্ধা- অভিনন্দন,
» আমাদের প্রীতি-উপহার।
» মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড়ো গৌরব।
জব সলুশন