কোন বানানটি শদ্ধ?
Related Questions
- বাংলা একাডেমী ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা বানানকে নিয়মিত, অভিন্ন ও প্রমিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি নিয়ম দাঁড় করায় যা 'বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' নামে ছাপিয়ে প্রকাশ করে।
- যার ‘পরিমার্জিত ও সংশোধিত’ সংস্করণ তাঁরা ১৯৯৪-এর জানুয়ারিতে প্রকাশ করেন।
বঙ্কিম এর বিপরীত শব্দ ঋজু।
- ঋজু শব্দের অর্থ অবক্র, সোজা।
• বন্ধুর - মসৃণ
• অসম - সুষম
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঃ
অনিষ্ট - ইষ্ট
মৌন - মুখরতা
মৌনী - মুখর
নয় - অবিনয়
খাতক - মহাজন
লায়েক - নালায়েক
আদিষ্ট - নিষিদ্ধ
রাজি - গররাজি।
• Co-education- সহশিক্ষা।
• Woman education- নারীশিক্ষা।
• Pedagogy- শিক্ষাতত্ত্ব, শিখন বিজ্ঞান/শিক্ষানীতি।
• তবে প্রয়োগিক দিক থেকে Pedagogy শব্দটি শিক্ষাতত্ত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। বাক্য সংক্ষেপণ (এক কথায় প্রকাশ) ঘটে থাকলে এবং সমস্তপদের শেষে ক্রিয়া (কাজ)-বাচক পদ যুক্ত থাকলেই সেগুলো সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: জলে চরে যা = জলচর; বাজি করে যে=বাজিকর, জল দেয় যা= জলদ, পঙ্কে জন্মে যা= পঙ্কজ। এরূপ- হরবেলা, গৃহস্থ, ইন্দ্রজিৎ, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, বেতনভুগী, মধুপ, শ্মশানচারী, পা-চাটা, পাড়াবেড়ানি, ছা-পোষা ইত্যাদি।
শর্টকাট: অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে বোঝাবে ও বাক্য সংকোচন হয়।
পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং পরপদের শুরুতে 'চ/ছ' থাকলে পূর্বপদের বিসর্গ (ঃ) এর পরিবর্তে 'শ' হয়। যেমন-
বিসর্গ (ঃ) + চ = শ
দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র; নিঃ+ চয় নিশ্চয়: দুঃ + ছেদ্য = দুচ্ছেদ্য
বিসর্গ (ঃ) + ছ = শ
শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ
- ক্রিয়ামূল বা নাম প্রকৃতির পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় সাধারণত ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়।
যেমন:
• √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত,
• মনু + ষ্ণ = মানব,
• এক+ইক = ঐকিক ইত্যাদি।
জব সলুশন