চন্ডীচরণ মুন্সী কে?

ক) শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর
খ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
গ) কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা
ঘ) সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

১৮০০ সালের ৪ মে ভারতে কর্মরত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মীদের শিক্ষাদানের জন্য ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৮০১ সালে কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হলে উইলিয়াম কেরি, দুইজন পন্ডিত ও ছয়জন সহকারী শিক্ষকের সাথে যোগদান করেন।
- চন্ডীচরণ মুন্সী ছিলেন এই সহকারী শিক্ষকদের একজন।
- তার রচিত গ্রন্থের নাম "তোতা ইতিহাস"।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- কলেজটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মীদের ভারতের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া।
- বাংলা বিভাগ ছিল কলেজের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিভাগগুলির মধ্যে একটি।
- চন্ডীচরণ মুন্সী ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
- "তোতা ইতিহাস" ছিল বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম ইতিহাস বই।

Related Questions

ক) রবীন্দ্র সংগীত
খ) নজরুল সংগীত
গ) ভাটিয়ালি গান
ঘ) বাউল গান
Note :

- বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা।
- এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধন সংগীত।
- বাউল গানে আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ, জীবন জিজ্ঞাসা, সাম্য ও মানবতার বাণী ফুটে ওঠে।
- এ গানের স্রষ্টা লালন শাহ।
- মানবতার ইতিহাসে বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা UNESCO ২৭ নভেম্বর, ২০০৫ সালে বাউল গানকে A masterpieces of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে ঘোষণা করে।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee এর তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা ৫টি। এগুলো হলোঃ
- বাউল গান (২০০৮),
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩),
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) এবং
- সিলেটের শীতল পাটি বুনন শিল্প (০৬ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
- ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

ক) পঞ্চদশ
খ) ষোড়শ
গ) সপ্তদশ
ঘ) অষ্টাদশ
Note :

আলাওল (আনু. ১৬০৭-১৬৮০) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। 

- আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার ফতেয়াবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 

- আলাওল মধ্যযুগের সর্বাধিক গ্রন্থপ্রণেতা। 

- তাঁর মোট কাব্যসংখ্যা সাত। 

- সেগুলির মধ্যে আখ্যানকাব্য হচ্ছে 

    পদ্মাবতী (১৬৪৮), 

    সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী (১৬৫৯), 

    সপ্তপয়কর (১৬৬৫), 

    সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল (১৬৬৯) ও

    সিকান্দরনামা (১৬৭৩); 

    নীতিকাব্য তোহফা (১৬৬৪) এবং সঙ্গীতবিষয়ক কাব্য রাগতালনামা।

ক) নূরনামা
খ) নসিহতনামা
গ) মধুমালতী
ঘ) ইউসুফ-জুলেখা
Note :

পঙক্তিটি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত ‘বঙ্গবাণী’ কবিতার। মধ্যযুগে বাঙালি মুসলমানগণ মাতৃভাষা বাংলাকে নিজেদের মনে না করে ফারসি - আরবি - উর্দুকে আপন ভাষা মনে করতো। এই ধরনের পরভাষা প্রীতিকে আঘাত করার জন্য কবি এ ধরনের পঙক্তি রচনা করেন।

ক) শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান
খ) বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান
গ) চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান
ঘ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান
Note :

- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন/ প্রথম কাব্য- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য। 

- এটি আদি মধ্যযুগীয় তথা প্রাক্-চৈতন্য যুগে বাংলা ভাষায় লেখা একমাত্র আখ্যানকাব্য। 

- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন। 

- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি। 

- কাব্যের প্রধান তিন চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।

- উল্লেখ্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন/শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন / আদি নিদর্শন / আদি গ্রন্থ / প্রাচীনতম পদ সংকলন / বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য / বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ - চর্যাপদ।

ক) রামাই পন্ডিত
খ) হলায়ুধ মিশ্র
গ) কাহ্নপা
ঘ) কুকুরীপা
Note :

শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা রামাই পন্ডিত।
- এটি একটি চম্পুকাব্য, যাতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই মিশ্রিত রয়েছে।
- শূন্যপুরাণের রচনাকাল ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ধারণা করা হয়।
- এটি হিন্দু দেবতা শিবের জীবন ও কর্মকীর্তি নিয়ে রচিত একটি ধর্মীয় মহাকাব্য।
- শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই যুগে বাংলা সাহিত্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
- শূন্যপুরাণে রামাই পন্ডিত শিবের জীবন ও কর্মকীর্তিকে বর্ণনা করেছেন একটি কল্পিত দ্বীপ শূন্যপুরের পটভূমিতে।
- কাব্যটিতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্যগুলি মূলত শিবের গুণগান ও বীরত্বের বর্ণনা করে, যখন গদ্য অংশগুলি কাহিনী বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।

ক) মহাঘানী বৌদ্ধ
খ) বজ্রঘানী বৌদ্ধ
গ) বাউল
ঘ) সহজঘানী বৌদ্ধ
Note :

- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
- এর বিষয়বস্তু হলো বৌদ্ধ ধর্মমতের সাধন ভজনের তত্ত্বপ্রকাশ।
- এর কবিরা ছিলেন সহজঘানী বৌদ্ধ।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার চর্যাপদের মোট ৫০ টি পদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- চর্যাপদে আরও একজন পদকর্তার নাম আছে, কিন্তু তার পদটি নেই। সেটি ধরলে চর্যার পদ সংখ্যা ৫১ এবং কবি ২৪ জন।
- তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম আছে।
- আর সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেনঃ
» কাহ্নপা - ১৩টি
» ধর্মপা - ১টি
» ঢেণ্ডণপা - ১টি
» ডোম্বিপা - ১টি
» জয়নন্দীপা - ১টি
» কঙ্কণপা - ১টি
» কম্বলাম্বরপ - ১টি
» তাড়কপা - ১টি
» তন্ত্রীপা - ১টি
» বীণাপা - ১টি
» বুরুপা - ১টি
» কুক্কুরীপা - ৩টি
» মহীধরপা - ১টি
» শবরপা - ২টি
» শান্তিপা - ২টি
» আর্যদেবপা ১টি
» ভুসুকুপা - ৮টি
» ভাদেপা - ১টি
» লুইপা- ২ টি
» দারিকাপা - ১টি
» শরহপা - ৪টি

 


 

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন