চর্যাপদের কবিরা ছিলেন-
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
- এর বিষয়বস্তু হলো বৌদ্ধ ধর্মমতের সাধন ভজনের তত্ত্বপ্রকাশ।
- এর কবিরা ছিলেন সহজঘানী বৌদ্ধ।
- প্রাচীন বাংলা ভাষার চর্যাপদের মোট ৫০ টি পদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- চর্যাপদে আরও একজন পদকর্তার নাম আছে, কিন্তু তার পদটি নেই। সেটি ধরলে চর্যার পদ সংখ্যা ৫১ এবং কবি ২৪ জন।
- তবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩ জন কবির নাম আছে।
- আর সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেনঃ
» কাহ্নপা - ১৩টি
» ধর্মপা - ১টি
» ঢেণ্ডণপা - ১টি
» ডোম্বিপা - ১টি
» জয়নন্দীপা - ১টি
» কঙ্কণপা - ১টি
» কম্বলাম্বরপ - ১টি
» তাড়কপা - ১টি
» তন্ত্রীপা - ১টি
» বীণাপা - ১টি
» বুরুপা - ১টি
» কুক্কুরীপা - ৩টি
» মহীধরপা - ১টি
» শবরপা - ২টি
» শান্তিপা - ২টি
» আর্যদেবপা ১টি
» ভুসুকুপা - ৮টি
» ভাদেপা - ১টি
» লুইপা- ২ টি
» দারিকাপা - ১টি
» শরহপা - ৪টি
Related Questions
নিহিতার্থ
নিহিতার্থ
নদী
শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, গাঙ(২৩বিসিএস)
নদী
মন্দাকিনী, গিরি, নিঃস্রাব, সমুদ্রকান্তা, কল্লোলিনী
নদী
সমুদ্রবল্লভা, সরিৎ(২৩বিসিএস)
নদী
গিরি নিঃস্রাব, তটিনী(২৩বিসিএস)
নদী
কূলবতী, স্রোতোবহা, নির্ঝরিণী(২৩বিসিএস)
নদী
প্ৰবাহিণী, প্রবাহিনী, তরঙ্গিণী, স্রোতস্বিনী(২৩বিসিএস)
- বাংলা একাডেমী ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলা বানানকে নিয়মিত, অভিন্ন ও প্রমিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে একটি নিয়ম দাঁড় করায় যা 'বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' নামে ছাপিয়ে প্রকাশ করে।
- যার ‘পরিমার্জিত ও সংশোধিত’ সংস্করণ তাঁরা ১৯৯৪-এর জানুয়ারিতে প্রকাশ করেন।
বঙ্কিম এর বিপরীত শব্দ ঋজু।
- ঋজু শব্দের অর্থ অবক্র, সোজা।
• বন্ধুর - মসৃণ
• অসম - সুষম
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঃ
অনিষ্ট - ইষ্ট
মৌন - মুখরতা
মৌনী - মুখর
নয় - অবিনয়
খাতক - মহাজন
লায়েক - নালায়েক
আদিষ্ট - নিষিদ্ধ
রাজি - গররাজি।
• Co-education- সহশিক্ষা।
• Woman education- নারীশিক্ষা।
• Pedagogy- শিক্ষাতত্ত্ব, শিখন বিজ্ঞান/শিক্ষানীতি।
• তবে প্রয়োগিক দিক থেকে Pedagogy শব্দটি শিক্ষাতত্ত্বের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। বাক্য সংক্ষেপণ (এক কথায় প্রকাশ) ঘটে থাকলে এবং সমস্তপদের শেষে ক্রিয়া (কাজ)-বাচক পদ যুক্ত থাকলেই সেগুলো সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: জলে চরে যা = জলচর; বাজি করে যে=বাজিকর, জল দেয় যা= জলদ, পঙ্কে জন্মে যা= পঙ্কজ। এরূপ- হরবেলা, গৃহস্থ, ইন্দ্রজিৎ, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, বেতনভুগী, মধুপ, শ্মশানচারী, পা-চাটা, পাড়াবেড়ানি, ছা-পোষা ইত্যাদি।
শর্টকাট: অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যক্তিকে বোঝাবে ও বাক্য সংকোচন হয়।
জব সলুশন