স্বর্ণকুমারী দেবীর পিতার নাম-

ক) দ্বারকানাথ ঠাকুর
খ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্রী এবং দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা।
- ১৮৬৮ সালে জানকীনাথ ঘোষালের সঙ্গে স্বর্ণকুমারী দেবীর বিবাহ হয়।
- ১৮৭৬ সালে স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম উপন্যাস দীপনির্বাণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর রচিত নাটক - নিবেদিতা, দিব্যকমল, কনে বদল, যুগান্তর, রাজকণ্যা উল্লেখযোগ্য।

তাঁর রচিত উপন্যাসঃ
- দীপনির্বাণ (১৮৭৬),
- মিবাররাজ (১৮৮৭),
- ছিন্নমুকুল (১৮৭৯),
- মালতী (১৮৭৯),
- হুগলীর ইমামবাড়ি (১৮৮৮),
- বিদ্রোহ (১৮৯০),
- স্নেহলতা বা পালিতা (১৮৯২,১৮৯৩),
- কাহাকে (১৮৯৮),
- ফুলের মালা (১৮৯৫) ইত্যাদি।

Related Questions

ক) রামমোহন রায়
খ) অক্ষয়কুমার দত্ত
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) রাধানাথ শিকদার
Note :

- রত্নপরীক্ষা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিতর্কমূলক গ্রন্থ।
- এটি ১৮৮৬ সাল প্রকাশিত হয়।
- "কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য" ছদ্মনামে তিনি এটি রচনা করেন।
- এতে বিধবা বিবাহের বিপক্ষে সংস্কৃত কলেজের ৩ জন অধ্যাপক ভুবনমোহন বিদ্যারত্ন, প্রশান্তচন্দ্র ন্যায়রত্ন এবং মধুসূদন স্মৃতিরত্নের যুক্তি খন্ডন করেন।

ক) শ্রীরামপুর মিশনের লিপিকর
খ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত
গ) কেরী সাহেবের মুন্সী গ্রন্থের রচয়িতা
ঘ) সমাচার চন্দ্রিকা পত্রিকার সম্পাদক
Note :

১৮০০ সালের ৪ মে ভারতে কর্মরত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মীদের শিক্ষাদানের জন্য ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৮০১ সালে কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হলে উইলিয়াম কেরি, দুইজন পন্ডিত ও ছয়জন সহকারী শিক্ষকের সাথে যোগদান করেন।
- চন্ডীচরণ মুন্সী ছিলেন এই সহকারী শিক্ষকদের একজন।
- তার রচিত গ্রন্থের নাম "তোতা ইতিহাস"।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- কলেজটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মীদের ভারতের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া।
- বাংলা বিভাগ ছিল কলেজের সবচেয়ে জনপ্রিয় বিভাগগুলির মধ্যে একটি।
- চন্ডীচরণ মুন্সী ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
- "তোতা ইতিহাস" ছিল বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম ইতিহাস বই।

ক) রবীন্দ্র সংগীত
খ) নজরুল সংগীত
গ) ভাটিয়ালি গান
ঘ) বাউল গান
Note :

- বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা।
- এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধন সংগীত।
- বাউল গানে আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি, মানুষ, জীবন জিজ্ঞাসা, সাম্য ও মানবতার বাণী ফুটে ওঠে।
- এ গানের স্রষ্টা লালন শাহ।
- মানবতার ইতিহাসে বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা UNESCO ২৭ নভেম্বর, ২০০৫ সালে বাউল গানকে A masterpieces of the Oral and Intangible Heritage of Humanity হিসেবে ঘোষণা করে।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee এর তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা ৫টি। এগুলো হলোঃ
- বাউল গান (২০০৮),
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩),
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) এবং
- সিলেটের শীতল পাটি বুনন শিল্প (০৬ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
- ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

ক) পঞ্চদশ
খ) ষোড়শ
গ) সপ্তদশ
ঘ) অষ্টাদশ
Note :

আলাওল (আনু. ১৬০৭-১৬৮০) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। 

- আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার ফতেয়াবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 

- আলাওল মধ্যযুগের সর্বাধিক গ্রন্থপ্রণেতা। 

- তাঁর মোট কাব্যসংখ্যা সাত। 

- সেগুলির মধ্যে আখ্যানকাব্য হচ্ছে 

    পদ্মাবতী (১৬৪৮), 

    সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী (১৬৫৯), 

    সপ্তপয়কর (১৬৬৫), 

    সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল (১৬৬৯) ও

    সিকান্দরনামা (১৬৭৩); 

    নীতিকাব্য তোহফা (১৬৬৪) এবং সঙ্গীতবিষয়ক কাব্য রাগতালনামা।

ক) নূরনামা
খ) নসিহতনামা
গ) মধুমালতী
ঘ) ইউসুফ-জুলেখা
Note :

পঙক্তিটি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত ‘বঙ্গবাণী’ কবিতার। মধ্যযুগে বাঙালি মুসলমানগণ মাতৃভাষা বাংলাকে নিজেদের মনে না করে ফারসি - আরবি - উর্দুকে আপন ভাষা মনে করতো। এই ধরনের পরভাষা প্রীতিকে আঘাত করার জন্য কবি এ ধরনের পঙক্তি রচনা করেন।

ক) শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান
খ) বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান
গ) চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান
ঘ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান
Note :

- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন/ প্রথম কাব্য- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য। 

- এটি আদি মধ্যযুগীয় তথা প্রাক্-চৈতন্য যুগে বাংলা ভাষায় লেখা একমাত্র আখ্যানকাব্য। 

- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন। 

- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। 

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি। 

- কাব্যের প্রধান তিন চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।

- উল্লেখ্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন/শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলি।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন / আদি নিদর্শন / আদি গ্রন্থ / প্রাচীনতম পদ সংকলন / বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য / বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ - চর্যাপদ।

জব সলুশন

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন