প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এর বর্তমান নাম কী?
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে একটি ক্ষুদ্র জনপদ চন্দ্রদ্বীপ। এর অবস্থান ছিল বলেশ্বর ও মেঘনা নদীর মধ্যবর্তী স্থানে। বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড। দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে রাজা দনুজমর্দন 'চন্দ্রদ্বীপ' নামের একটি স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
বিভিন্ন জেলার পূর্ব ও বর্তমান নামঃ
» ঢাকা জেলার পূর্ব নাম ===> জাহাঙ্গীরনগর
» চট্টগ্রাম জেলার পূর্ব নাম ===> ইসলামাবাদ
» মুজিবনগর জেলার পূর্ব নাম ===> বৈদ্যনাথতলা
» খুলনা জেলার পূর্ব নাম ===> জাহানাবাদ
» সিলেট জেলার পূর্ব নাম ===> জালালাবাদ
» যশোর জেলার পূর্ব নাম ===> খিলাফাতাবাদ
» বাগেরহাট জেলার পূর্ব নাম ===> খলিফাবাদ
» ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম ===> নাসিরাবাদ
» ফরিদপুর জেলার পূর্ব নাম ===> ফাতেহাবাদ
» বরিশাল জেলার পূর্ব নাম ===> ইসমাইলপুর/চন্দ্রদ্বীপ
» নোয়াখালী জেলার পূর্ব নাম ===> সুধারাম/ভুলুয়া
» কুমিল্লা জেলার পূর্ব নাম ===> ত্রিপুরা
» কুষ্টিয়া জেলার পূর্ব নাম ===> নদীয়া
» ফেনী জেলার পূর্ব নাম ===> শমসের নগর
» কক্সবাজার জেলার পূর্ব নাম ===> ফালকিং
» জামালপুর জেলার পূর্ব নাম ===> সিংহজানী
Related Questions
মা ও মনি গোল্ডকাপ (১৪ বছরের নিচে) টুর্নামেন্ট ১৯৯২ সালের ২৬ আগষ্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
- জেলাভিত্তিক এ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে খেলে টাঙ্গাইল জেলা দল ২-১ গোলে ফেনী জেলা দলকে হারায়।
বিকেএসপি (BKSP) হলো 'বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান', যা বাংলাদেশের একমাত্র এবং জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া শিক্ষাকেন্দ্র। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সরকারি প্রতিষ্ঠানটি সাভারের জিরানীতে অবস্থিত। খেলোয়াড় তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষাও দেওয়া হয়। এতে আবাসিক ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।
ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা। এর পাশাপাশি নিরাপদ, কার্যকরী ও মানসম্মত ঔষধ সবার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করাও এই নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
জাতীয় ঔষধ নীতির মূল বিষয়গুলো হলো:
স্বাস্থ্য সুরক্ষা: চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যেনতেন ঔষধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচানো।
সঠিক ব্যবহার: অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারসহ অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক ঔষধ উৎপাদন ও বিপণন পুরোপুরি বন্ধ করা।
মান নিয়ন্ত্রণ: আধুনিক পরীক্ষাগারের মাধ্যমে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত প্রতিটি ঔষধের গুণগত মান যাচাই ও নিশ্চিত করা।
মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ এবং এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। করতোয়া নদী বগুড়া জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যার পাশেই এই ঐতিহাসিক স্থানটি গড়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের মোট সীমানা ৫১৩৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে জলসীমা ৭১১ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
মহীসোপান ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১লা মে-তে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- এই তথ্য কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২২ এবং ভূমি ব্যবহার জরিপ (২০১৯-২০২০) থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BRRI) ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ীও মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- ২০২৪ সালের ১৩ই জুন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ জাতীয় সংসদে জানান যে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৩৫ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫৯ শতাংশ।
- ২০২৩ সালের ১৮ই জুন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সংসদকে জানান যে, দেশের আবাদযোগ্য জমি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার ২৬৬ হেক্টর।
- পূর্বে একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসের তথ্যমতে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৭৯.৪৬ লক্ষ হেক্টর উল্লেখ করা হয়েছিল।
- তবে, একাধিক সরকারি উৎস থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য হিসেবে বিবেচিত।
জব সলুশন