কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর পংক্তিটির রচয়িতা কে?

ক) শেখ ফজলুল করিম
খ) মোজাম্মেল হক
গ) মোহিত লাল মজুমদার
ঘ) জীবনানন্দ দাশ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক মানুষেতে সুরাসুর পংক্তিটির রচয়িতা - শেখ ফজলুল করিম।

তার স্বর্গ নরক কবিতার চরণ এটি। তার কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ : সরল পদ্য বিকাশ, তৃষ্ণা ভক্তি পুষ্পাঞ্জলি, গাঁথা প্রভৃতি।

Related Questions

ক) একটি স্বাভাবিক সংখ্যা
খ) একটিপূর্ণসংখ্যা
গ) একটি মূলদ সংখ্যা
ঘ) একটি অমূলদ সংখ্যা
Note :

আমরা জানি, যে স্বাভাবিক সংখ্যার শুধুমাত্র দুটি গুণনীয়ক (1 এবং সংখ্যাটি নিজে) থাকে, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। অর্থাৎ, কোনো মৌলিক সংখ্যাকে অন্য কোনো পূর্ণ সংখ্যার বর্গ হিসেবে প্রকাশ করা যায় না, কারণ পূর্ণবর্গ সংখ্যা হতে হলে তার মৌলিক উৎপাদকগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকতে হয়।

ধরি, p একটি মৌলিক সংখ্যা।
যেহেতু p পূর্ণবর্গ নয়, তাই এর বর্গমূল অর্থাৎ p–√ কে p/q বা ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব নয় (যেখানে p ও q সহমৌলিক পূর্ণসংখ্যা এবং q≠0)।
গাণিতিক সংজ্ঞা অনুসারে, পূর্ণবর্গ নয় এমন যেকোনো স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গমূল একটি অমূলদ সংখ্যা (Irrational Number)
উদাহরণস্বরূপ:
p=2 হলে, 2–√=1.41421356... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
p=3 হলে, 3–√=1.73205081... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
p=5 হলে, 5–√=2.2360679... (অসীম ও অনাবৃত দশমিক)
যেহেতু p–√ এর মান একটি অসীম ও অনাবৃত দশমিক সংখ্যা এবং একে ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা যায় না, তাই এটি একটি অমূলদ সংখ্যা

ক) যশোরাজ খান
খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
গ) মীর মোশাররফ হোসেন
ঘ) বিজয় গুপ্ত
Note :

ইউসুফ জুলেখা  কাব্য অনুবাদ করেন শাহ মুহম্মদ সগীর ।তিনি আবদুর রহমান জামি রচিত 'ইউসুফ ওয়া ' জুলায়খা থেকে বাংলায় 'ইউসুফ জুলেখা' নামে অনুবাদ করেন । এ কাব্যের পটভূমি ইরান । 

- শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি।

- এটি রচনা হয় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময়ে। 
 

- আবদুল হাকিম ও ফকির গরীবুল্লাহ জামীর 'ইউসুফ ও জুলায়খা' থেকে অনুবাদ করে ইউসুফ জুলেখা নামে কাব্য রচনা করেন । 

- তবে সর্বজন স্বীকৃত অনুবাদক হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীর পরিচিত ।

ক) x+y+1
খ) x-y
গ) x+y-1
ঘ) x-y-1
Note :

x²-y²+2y-1

=x²-(y²-2y+1)

=x² -(y-1)²

=(x+y-1)(x-y+1)

ক) ১৫৬বঃফুঃ
খ) ১৬৪বঃফুঃ
গ) ১২৮ বঃ ফুঃ
ঘ) ২১৮ বঃ ফুঃ
Note :

বর্গক্ষেত্রটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ ফুট

 ∴ কৰ্ণ =৮√২ ফুট

তাহলে কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (৮√২)২ 

= ৬৪ ×  ২ 
= ১২৮ বর্গফুট

ক) বাড়ে
খ) একই থাকে
গ) কমে
ঘ) প্রথম বাড়ে পরে কমে
Note :

পানিকে বরফে পরিণত করলে এর আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ৯% পর্যন্ত আয়তন বেড়ে যায়। 

ক) ২৪ সে মি
খ) ১৮ সে মি
গ) ১৬ সে মি
ঘ) ১২ সে মি
Note :

দেওয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ (অতিভুজ) = ১৩ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা-এর লম্ব দূরত্ব (লম্ব) = ৫ সে.মি.
আমরা জানি, বৃত্তের কেন্দ্র হতে জ্যা-এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা-কে সমদ্বিখণ্ডিত করে। তাই পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রয়োগ করে পাই-
(অর্ধেক জ্যা)² = (ব্যাসার্ধ)² - (দূরত্ব)²
= (১৩)² - (৫)²
= ১৬৯ - ২৫
= ১৪৪
∴ অর্ধেক জ্যা = √১৪৪ = ১২ সে.মি.
সুতরাং, জ্যা-এর মোট দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে.মি.

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন