উৎপাদিত পণ্য বিক্রির হিসাব অনুসারে ১৯৯০ সালে সর্ববৃহৎ বিক্রেতা?
Related Questions
- কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি।
- এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই এখানকার আবহাওয়াতে নিরক্ষীয় প্রভাব দেখা যায়।
প্রধান দুটি উপাদান অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন ছাড়াও বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড জলীয় বাষ্প ও অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস থাকে। মিশ্র পদার্থের বিভিন্ন উপাদানের অনুপাত সর্বত্র সমান হয় না। বায়ুতে তার উপাদানগুলো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অনুপাতে থাকে। জলাভূমির বায়ুতে কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেন গ্যাস বেশি থাকে। আবার উপরের বায়ুতে নিচের বায়ু অপেক্ষা অক্সিজেন কম থাকে। অতএব বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ।
প্রবল জোয়ার (ভরা কটাল) ঘটে যখন সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এই সময়ে চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় টানের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি জোয়ার আসে। এটি অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে ঘটে থাকে।
প্রবল চাপে হাইড্রোজেন পরমাণু একটির সঙ্গে আরেকটি মিলে যায়। হাইড্রোজেন পরমাণু একীভূত হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। আর এই ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় হিলিয়াম। একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে আগের চেয়ে ভারী পরমাণু উৎপন্ন করার এই প্রক্রিয়ায় একই সঙ্গে নতুন মৌল ও শক্তি পাওয়া যায়। এই শক্তির উৎস হচ্ছে পরমাণুগুলোর কেন্দ্র, যাকে নিউক্লিয়াস বলে। কিন্তু এই ফিউশন প্রক্রিয়া থেকে সব সময় শক্তি পাওয়া যায় না। আয়রন বা লোহার চেয়ে ভারী মৌলের পরমাণুর ক্ষেত্রে ফিউশনের ফলে শক্তির শোষণ হয়।
জব সলুশন