কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। প্রকাশকাল- ১৯৬২। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এই নাটকটির মূল উপজীব্য। নাটকটির জন্য মুনীর চৌধুরী ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
Related Questions
সঠিক উত্তরটি হলো: হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ।
ব্যাখ্যা:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের ব্যাখ্যামূলক মধ্যপদটি সমস্তপদে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে ‘হাসি মাখা মুখ’ ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ ‘মাখা’ শব্দটি লোপ পেয়ে ‘হাসিমুখ’ হয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।
অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ঘর থেকে ছাড়া = ঘরছাড়া: এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস (অপাদান কারকের বিভক্তি 'থেকে' লোপ পেয়েছে)।
অরুণের মত রাঙা = অরুণরাঙা: এটি উপমান কর্মধারয় সমাস (তুলনা বোঝাতে 'মত' ব্যবহৃত হয়েছে)।
ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী: এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ বা ব্যাপ্তি তৎপুরুষ সমাস।
নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।
'বন্যেরা বনে সুন্দর , শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ' এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে - -
জীবনমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
ধূসর পান্ডুলিপি কবি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ) ভারতে প্রকাশিত হয়। জীবনানন্দ এই বইটি কবি বুদ্ধদেব বসুকে উৎসর্গ করেন।
সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের (মনোভাব) সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন, ছেলেরা বল খেলছে। এ বাক্যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না। বক্তার আরো কিছু বলার থাকে তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০ - ১৯৩১) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক ও কবি। তিনি ১৯ ও ২০ শতকে বাঙালি মুসলিম পুনর্জাগরণের প্রবক্তাদের একজন। তিনি মুসলিমদের জন্যে বিজ্ঞানসাধনা, মাতৃভাষাচর্চা, নারীদের শিক্ষা এসবের পক্ষে লেখালেখি করেন। তার অনল - প্রবাহ কাব্যগ্রন্থটি সরকার বাজেয়াপ্ত করে এবং তিনি কারাবন্দী হন।
জব সলুশন