বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন কে?
বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি। এ গ্রন্থে তিনি জ্যোতিবা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।
Related Questions
- পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন রামনিধি গুপ্ত।
- তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত।
- রামনিধি গুপ্ত বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের একজন মহান সংস্কারক।
- তার একটি গীতিকা সংকলনের নাম 'গীতিরত্ন' (১৮৩৭)
উল্লেখ্য, অন্যকবিদের ভাষা নিয়ে বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি-
- আবদুল হাকিম- ''দেশী ভাষা যার মনে ন জুয়ায় / নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়'',
- অতুল প্রাসাদ সেন- ''মোদের গরব , মোদের আশা /আ-মরি বাংলা ভাষা'' ,
- আল মাহমুদ- ''ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত/ বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত''।
”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দিব্ + লোক।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি 'দ্যুলোক' এর যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হল : দিব্ + লোক। আরো কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হল : এক্ + দশ = একাদশ, ষট্ + দশ = ষোড়শ, মনস্ + ঈশা = মনীষা, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, গো + পদ = গোষ্পদ, দিব্ + লোক = দ্যুলোক, বন্ + পতি = বনস্পতি, পর্ + পর = পরস্পর, আ + চর্য = আশ্চর্য, তৎ + কর = তস্কর
জব সলুশন