কোনটি সন্ধিজাত শব্দ?

ক) উন্মনা
খ) দখিনা হাওয়া
গ) মিনতি
ঘ) ফাল্গুন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

উন্মনা একটি সন্ধিজাত শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।  সন্ধি বিচ্ছেদ:
উন্মনা = উৎ + মনস্ 

সন্ধির নিয়ম: ত্ বা দ্-এর পরে ম্ বা ন্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ন্ হয়।

ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে এখানে 'উৎ' (ত্)-এর পরে 'মনস্' (ম) থাকায় 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'ন্' (বা ন্-এ হসন্ত) রূপ ধারণ করে

Related Questions

ক) অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
খ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
গ) বিশেষজাতের কাক
ঘ) ভূষন্তী নামক স্থানের কাক
Note :

'ভূষণ্ডির কাক' বাগধারাটির আক্ষরিক ও আলংকারিক অর্থ হলো দীর্ঘজীবী, বহুদর্শী বা দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, ভূষণ্ডী নামক এক ত্রিকালদর্শী কাক পৃথিবীতে বহু যুগ ধরে জীবিত আছে এবং সে অনেক ঘটনার সাক্ষী। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বয়সের কারণেই তাকে বাগধারায় নির্দেশ করা হয়। 

ক) করণীয়
খ) রাক্ষস
গ) গন্ধদ্রব্যবিশেষ
ঘ) রাসায়নিক পদার্থ
Note :

কর্বুর" (বা কর্বূর) শব্দের অন্যতম প্রধান অর্থ হলো রাক্ষস

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) দীনবন্ধু মিত্র
গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
ঘ) রাজা রামমোহন রায়
Note :

বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি। এ গ্রন্থে তিনি জ্যোতিবা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।

ক) আব্দুল হাকিম
খ) অতুল প্রসাদ সেন
গ) রামনিধি গুপ্ত
ঘ) শেখ ফজলুল করিম
Note :

- পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন রামনিধি গুপ্ত
- তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত।
- রামনিধি গুপ্ত বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের একজন মহান সংস্কারক।
- তার একটি গীতিকা সংকলনের নাম 'গীতিরত্ন' (১৮৩৭)

উল্লেখ্য, অন্যকবিদের ভাষা নিয়ে বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি- 
- আবদুল হাকিম- ''দেশী ভাষা যার মনে ন জুয়ায় / নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়'',
- অতুল প্রাসাদ সেন- ''মোদের গরব , মোদের আশা /আ-মরি বাংলা ভাষা'' ,
- আল মাহমুদ- ''ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত/ বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত''।

ক) নতুন শব্দ গঠন
খ) ভাবের পার্থক্য নিরূপণ
গ) অর্থ পরিবর্তন
ঘ) বর্ণ সংস্করণ
Note :

ব্যাকরণে উপসর্গ-এর প্রধান কাজ হলো শব্দের বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করা। উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের আগে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থে বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। 

উপসর্গ প্রধানত ৫ ধরনের কাজ করে থাকে: 

নতুন শব্দ গঠন: মূল শব্দের আগে বসে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশকারী শব্দ তৈরি করে।

যেমন: 'হার' (পরাজয়) শব্দের আগে 'প্র' যুক্ত হয়ে হলো 'প্রহার' (মারা)।

অর্থে পূর্ণতা সাধন: মূল শব্দের অর্থের পরিধি বা গভীরতা বৃদ্ধি করে।

যেমন: 'পূর্ণ' শব্দের আগে 'পরি' যুক্ত হলে হয় 'পরিপূর্ণ'। 

অর্থের সম্প্রসারণ: শব্দের সাধারণ অর্থকে প্রসারিত করে।

যেমন: 'তাপ' শব্দের আগে 'প্র' যুক্ত হয়ে হলো 'প্রতাপ' (মহাতাপ বা প্রভাব)। 

অর্থের সংকোচন: মূল শব্দের অর্থকে কমিয়ে বা সংকুচিত করে।

যেমন: 'কাজ' শব্দের আগে 'অ' (অভাব অর্থে) যুক্ত হয়ে হলো 'অকাজ' (খারাপ কাজ)। 

অর্থের পরিবর্তন: শব্দের বিপরীত বা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।

যেমন: 'বাদ' (পরিত্যাগ) শব্দের আগে 'অন' যুক্ত হয়ে হয় 'অনুবাদ' (ভাষা রূপান্তর)

ক) পীত
খ) কয়রা
গ) ধূসর
ঘ) আরক্ত
Note :

ঈষৎ পাংশুবর্ণ'-এর বাক্য সংকোচন হলো 'কয়রা'।  বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদের অর্থ সংক্ষেপ করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার নিয়মটিকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়। 

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন