”সে এমনভাবে কথা বলে মনে হয় সব জানে” বাক্যটির সঠিক ইংরেজি কোনটি?

ক) He talks after knowing everything
খ) He talks like he knows everything
গ) He talks knowing everything
ঘ) He talks as if he knew everything
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

"সে এমনভাবে কথা বলে মনে হয় সব জানে" বাক্যটির সবচেয়ে নির্ভুল ও আদর্শ ইংরেজি হলো: "He talks as if he knew everything." As if/ as though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ the present indefinite tense হলে পরের অংশ pas indefinite tense হয় এবং be verb থাকলে তা সর্ব were হয়ে যায়।

Related Questions

ক) যৌগিক
খ) মিশ্র
গ) সরল
ঘ) জটিল
Note :

"তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি।"— এটি একটি যৌগিক বাক্য।  ব্যাখ্যা:যৌগিক বাক্যের বৈশিষ্ট্য: দুই বা তার বেশি সরল বা জটিল বাক্য যখন কোনো অব্যয় পদ (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।  বিশ্লেষণ: এই বাক্যে "তার বয়স বেড়েছে" এবং "বুদ্ধি বাড়েনি" দুটি স্বাধীন সরল বাক্য। বাক্য দুটি "কিন্তু" নামক যোজক বা সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।

ক) উন্মনা
খ) দখিনা হাওয়া
গ) মিনতি
ঘ) ফাল্গুন
Note :

উন্মনা একটি সন্ধিজাত শব্দ। বাংলা ব্যাকরণে এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।  সন্ধি বিচ্ছেদ:
উন্মনা = উৎ + মনস্ 

সন্ধির নিয়ম: ত্ বা দ্-এর পরে ম্ বা ন্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ন্ হয়।

ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে এখানে 'উৎ' (ত্)-এর পরে 'মনস্' (ম) থাকায় 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'ন্' (বা ন্-এ হসন্ত) রূপ ধারণ করে

ক) অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
খ) দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি
গ) বিশেষজাতের কাক
ঘ) ভূষন্তী নামক স্থানের কাক
Note :

'ভূষণ্ডির কাক' বাগধারাটির আক্ষরিক ও আলংকারিক অর্থ হলো দীর্ঘজীবী, বহুদর্শী বা দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, ভূষণ্ডী নামক এক ত্রিকালদর্শী কাক পৃথিবীতে বহু যুগ ধরে জীবিত আছে এবং সে অনেক ঘটনার সাক্ষী। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বয়সের কারণেই তাকে বাগধারায় নির্দেশ করা হয়। 

ক) করণীয়
খ) রাক্ষস
গ) গন্ধদ্রব্যবিশেষ
ঘ) রাসায়নিক পদার্থ
Note :

কর্বুর" (বা কর্বূর) শব্দের অন্যতম প্রধান অর্থ হলো রাক্ষস

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) দীনবন্ধু মিত্র
গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
ঘ) রাজা রামমোহন রায়
Note :

বাংলা ভাষায় যতি চিহ্ন প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ – ২৯ জুলাই ১৮৯১) উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি। এ গ্রন্থে তিনি জ্যোতিবা বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করেন।

ক) আব্দুল হাকিম
খ) অতুল প্রসাদ সেন
গ) রামনিধি গুপ্ত
ঘ) শেখ ফজলুল করিম
Note :

- পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন রামনিধি গুপ্ত
- তিনি নিধু বাবু নামে পরিচিত।
- রামনিধি গুপ্ত বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের একজন মহান সংস্কারক।
- তার একটি গীতিকা সংকলনের নাম 'গীতিরত্ন' (১৮৩৭)

উল্লেখ্য, অন্যকবিদের ভাষা নিয়ে বিখ্যাত কবিতার পঙক্তি- 
- আবদুল হাকিম- ''দেশী ভাষা যার মনে ন জুয়ায় / নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়'',
- অতুল প্রাসাদ সেন- ''মোদের গরব , মোদের আশা /আ-মরি বাংলা ভাষা'' ,
- আল মাহমুদ- ''ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত/ বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত''।

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন