'খাতক'এর বিপরীত শব্দ -
খাতক (যিনি ঋণ গ্রহণ করেন) এর বিপরীত শব্দ হলো মহাজন (যিনি ঋণ প্রদান করেন)। বাংলা ব্যাকরণে ও বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় এটি সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
Related Questions
প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার খণ্ডবাক্য বা পরিচায়ক অংশের ঠিক শেষে এবং উদ্ধরণ চিহ্নের ( “ ” ) পূর্বে কমা ( , ) বসে।
যেমন: শিক্ষক বললেন, “কাল তোমাদের ছুটি থাকবে।” সে বলল, “আমি আজ স্কুলে যাব না।”
সঠিক উত্তর জুতা
জুতা - জুতা, সহিত - সাথে, বন্য - বুনো, শুষ্ক - শুকনো।
• বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০ টি।
- তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং
- ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯।
• মাত্রাহীন - ১০ টি।
- স্বরবর্ণ ৪টি ( এ,ঐ,ও,ঔ)।
- ব্যঞ্জনবর্গ ৬টি (ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ)
• অর্ধমাত্রা - ৮টি।
- স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) ।
- ব্যঞ্জনবর্গ ৭টি ( খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)।
• পূর্ণ মাত্রা - ৩২ টি।
- স্বরবর্ণ ৬টি
- ব্যঞ্জনবর্গ ২৬টি।
অর্থ অনুসারে বাংলা ব্যাকরণে ‘হরিণ’ একটি রূঢ়ি শব্দ。 [1, 2]
ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন— বুৎপত্তিগত অর্থে ‘হরিণ’ শব্দের অর্থ হলো— যা হরণ করে বা টেনে নেয়। কিন্তু এর সাধারণ অর্থ না দাঁড়িয়ে, শব্দটি বাংলা ভাষায় একটি নির্দিষ্ট প্রাণী (মৃগ বা পশুবিশেষ)-কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি রূঢ়ি শব্দ। [1, 2]
সৌর একটি নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ। ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম (যেমন: স্বরসন্ধি বা প্রত্যয়ের নিয়ম) অনুসরণ না করে বিশেষ ব্যতিক্রম হিসেবে গঠিত শব্দগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়।
'পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে' বাক্যে জল হলো কর্তৃকারকে শূন্য (০) বিভক্তি। [1]
যেহেতু নিজে থেকেই জল নিচে নামছে বা গড়িয়ে পড়ছে, তাই এখানে 'জল' হলো কর্তা এবং এর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
জব সলুশন