তাসখন্দ চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়?
তাশখন্দ চুক্তি হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দে পাকিস্তান ও ভারত এর মধ্যে সম্পাদিত একটি চুক্তি,যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সমাধান করে। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কেসিগানের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ হয়
Related Questions
লাওসের উত্তরাঞ্চল, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের কিয়দংশ মিলেই গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। আফিম ও হেরোইন বাণিজ্যে এক সময় কুখ্যাত ছিল অঞ্চলটি। পৃথিবীতে আফিমের মোট চাহিদার অর্ধেকের বেশি জোগান আসত এই অঞ্চল থেকে। জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক অফিসের তথ্য মতে, ১৯৯৩ সালে মিয়ানমার একাই উৎপাদন করেছিল ১৮০০ মেট্রিক টন আফিম। এর এক দশক পর তিনটি দেশই মাদক নিধন কর্মসূচি গ্রহণ করায় ফল এসেছিল হাতেনাতে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বছরে আফিম উৎপাদন নেমে এসেছিল ৩৫০ মেট্রিক টনে। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলে ব্যাপক নজরদারির কারণেই দারুণ লাভজনক পপি চাষের বিস্তার ঘটেছিল আফগানিস্তান ও কলম্বিয়ায়।
- জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের নাম হল জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)।
- UNDP ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- উন্নয়নশীল দেশের প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে সাহায্যকারী সংস্থা।
- এটির সদর দপ্তর নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)।
প্রতি বছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস (World Habitat Day) পালিত হয়ে থাকে।
অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস পালিত হয়ে থাকে।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।
গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক। এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস।
১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
জব সলুশন