কোন বানানটি শুদ্ধ?
শুদ্ধ বানান হলো মুমূর্ষু।
এর গঠনটি হলো: প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ (ু) .দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ উ (ূ). তৃতীয় বর্ণে রেফ (র্) + ষ + হ্রস্ব উ (ু)
Related Questions
চন্দ্রের প্রতিশব্দ নয় সবিতা । চন্দ্রের প্রতিশব্দ হলো : দ্বিজরাজ, সোম , হিমাংশু । এরুপ - সুধাকর, শশী, নিশাকর , রজনীকান্ত ইত্যাদি। সবিতা শব্দের প্রতিশব্দ সূর্য, তপন, রবি প্রভৃৃতি।
'ম' একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি বা একে অপরের স্পর্শে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। বাংলা বর্ণমালায় 'প' বর্গীয় সবগুলো বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি
'অদ্য' শব্দটি সাধু ভাষারীতির , এই তৎসম বা সংস্কৃতজাত শব্দটির চলিত রূপ হলো 'আজ'। সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যে এরকম শব্দ প্রায়শই ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তৈল একটি রুঢ় বা রুঢ়ি শব্দ, যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল বা বুৎপত্তিগত অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রুঢ়ি শব্দ বলে। উদাহরণস্বরূপ, 'তৈল' শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ 'তিল থেকে উৎপন্ন যে কোনো স্নেহপদার্থ', কিন্তু বর্তমানে এটি কেবল 'সরিষার তেল'-কেই বোঝায়। অন্যদিকে, যোগরূঢ় শব্দ হলো সমাস নিষ্পন্ন এমন কিছু শব্দ যা সমস্যমান পদগুলোর সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায়। যোগরূঢ় শব্দের সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ হলো পঙ্কজ l
'ষষ্ঠ'-এর সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো ষষ্ + থ
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, মূর্ধন্য 'ষ্'-এর পরে 'ত্' বা 'থ' থাকলে, 'ত্' বা 'থ'-এর স্থানে যথাক্রমে 'ট' বা 'ঠ' হয়। যেহেতু এখানে 'ষ্' এর পরে 'থ' রয়েছে, তাই সেটি পরিবর্তন হয়ে 'ঠ' রূপ ধারণ করে (ষষ্ + থ = ষষ্ঠ)।
বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ প্রধানত দুটি:
১. মৌখিক রূপ (কথ্য ভাষা)
২. লৈখিক রূপ (লেখ্য ভাষা)
জব সলুশন