নিচের সমাসবদ্ধ পদগুলোর মধ্যে কোনটি কর্মধারয় সমাস?
Related Questions
সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। সমাস মানে সংক্ষেপ , মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের একপদীকরণ । অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের একসঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে। যেমন: ঘরে-বাইরে, দুধে - ভাতে, জলে - স্থলে, দেশে - বিদেশে, হাতে - কলমে।
অনুচিত - ন (নয়) উচিত - নঞ তৎপুরুষ সমাস ।
আশীতে(দাঁতে) বিষ যার - আশীবিষ। এটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।
বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনটিই যদি বিশেষণ না হয়, , তবে তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি, আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা, বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি, বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা ইত্যাদি।
যে সমাসের সমস্ত পদে পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান না হয়ে অন্য একটি পদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাস ৮ প্রকার। যথাঃ ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৪. ব্যতিহার বহুব্রীহি ৫. অলুক বহুব্রীহি ৬. নঞ্চ বহুব্রীহি ৭. প্রত্য্যান্ত বহুব্রীহি ও ৮. দ্বিগু বা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। এদের মধ্যে ‘লাঠালাঠি’ শব্দের ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ - লাঠালাঠি। একইরুপে দুটি বিশেষ্য পদ একসঙ্গে বসে পরস্পর একই জাতীয় কাজ করলে যে সমাস হয় তাকে বলা হয় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
জব সলুশন