মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৭১২ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর করা 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' উক্তিটি দ্বারা তার কবি প্রতিভার প্রমাণ পাওয়া যায়।
Related Questions
জয়নন্দী বা জয়নন্দীপা 'চর্যাপদ' - এর তথা প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদ - এর ৪৬ নং পদের রচয়িতা । মধ্যযুগের প্রথম কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' - এর রচয়িতা বডু চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান নিদর্শন বৈষ্ণব পদাবলী' - এর অন্যতম দুই মহাকবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।
১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল 'শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ'।
শাহ সুজা
শাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ।
সাহিত্য হলো একের সাথে অন্যের মিলনের মাধ্যমে। লোকসাহিত্য হলো জনসাধারণের মুখে মুখে প্রচলিত গাঁধা, কাহিনী, গান, ছড়া প্রবাদ ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্যই হলো মঙ্গলকাব্য।
মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য "মনসামঙ্গল"।
এ কাব্যের চাঁদ সদাগর চরিত্রটি দেবতা - বিরোধী হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর - চাঁদ সদাগর।
ময়মনসিংহ গীতিকা নয় - ভেলুয়া।
ময়মনসিংহ গীতিকা গুলো হল: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ইত্যাদি।
জব সলুশন