মৈমনসিংহ গীতিকার 'মহুয়া' পালার রচয়িতা কে?

ক) চন্দ্রাবতী
খ) দ্বিজ কানাই
গ) মনসুর বয়াতি
ঘ) দ্বিজ ঈশান
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মৈমনসিংহ গীতিকার মহুয়া পালার রচয়িতা - দ্বিজ কানাই। মৈমনসিংহ গীতিকা একটি সংকলনগ্রন্থ যাতে ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রচলিত দশটি পালাগান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। প্রথম খণ্ডের দশটি পালার রচয়িতা ভিন্ন ভিন্ন হলেও সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে। ড.দীনেশচন্দ্র সেন ১৯২৩ - ৩২ সালে অন্যদের সহায়তায় এই গানগুলো সংকলন করেন। এই গীতিকা বিশ্বের ২৩ টি ভাষায় অনূদিত হয়। উল্লেখযোগ্য পালা:

মহুয়া - রচয়িতা দ্বিজ কানাই

মলুয়া - " চন্দ্রাবতী

কমল পালা - রচয়িতা দ্বিজ ঈশান

Related Questions

ক) ইউসুফ-জোলেখা
খ) পদ্মাবতী
গ) লাইলী মজনু
ঘ) ময়মনসিংহ গীতিকা
Note :

১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন | আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় | এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত ।   

ক) শ্রী চৈতন্য
খ) বিদ্যাপতি
গ) চণ্ডীদাস
ঘ) জ্ঞানদাস
Note :

রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন বৈষ্ণব পদাবলি। বৈষ্ণব পদাবলির অধিকাংশ পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচিত। বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কবি বিদ্যাপতি এবং বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা চণ্ডীদাস।

ক) 1756
খ) 1752
গ) 1760
ঘ) 1762
Note :

মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৭১২ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর করা 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' উক্তিটি দ্বারা তার কবি প্রতিভার প্রমাণ পাওয়া যায়।

ক) জয়নন্দী
খ) বড়ু চণ্ডীদাস
গ) গোবিন্দ দাস
ঘ) জ্ঞান দাস
Note :

জয়নন্দী বা জয়নন্দীপা 'চর্যাপদ' - এর তথা প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদ - এর ৪৬ নং পদের রচয়িতা । মধ্যযুগের প্রথম কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' - এর রচয়িতা বডু চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান নিদর্শন বৈষ্ণব পদাবলী' - এর অন্যতম দুই মহাকবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।

ক) শুন্যপুরান
খ) ডাকার্নব
গ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ঘ) গীতগোবিন্দ
Note :

১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রাম থেকে অযত্নরক্ষিত অবস্থায় এই কাব্যের একটি পুথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ সালে তারই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে পুথিটি প্রকাশিত হয়; যদিও কারও কারও মতে মূল গ্রন্থটির নাম ছিল 'শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ'।

ক) নাসির উদ্দিন শাহ
খ) মুর্শিদ কুলি খান
গ) শাহ সুজা
ঘ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
Note :

শাহ সুজা
শাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।

স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন