‘প্রভাত চিন্তা’,‘নিভৃত চিন্তা’,‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
কালীপ্রসন্ন ঘোষ ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি তার 'চিন্তা' (১৮৭৭), 'প্রভাত চিন্তা' (১৮৮২), 'নিভৃত চিন্তা' (১৮৮৩), এবং 'নিশীথ চিন্তা' (১৮৮৯) সহ বিভিন্ন গদ্য ও পদ্য রচনা করেছেন।
Related Questions
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী।
- বীরবল ছদ্মনামে তিনি লিখেছেন ‘বীরবলের হালখাতা’।
- চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)।
- বাংলা কাব্যসাহিত্যে তিনি ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ- তেল নুন লকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্থ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্থ- সনেট পঞ্চাশৎ। তার আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি হলো “ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে”, “সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়”, “সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ”, “বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে”, “সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়”।
সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥
- কাজী নজরুল ইসলাম। (চন্দ্রবিন্দু ১৯৩১)
বঙ্গদর্শন উনিশ শতাব্দীতে প্রকাশিত একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বা সাময়িকপত্র। এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্থপতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১২৭৯ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ (১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দ, বারো এপ্রিল) তারিখে মাসিক বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। সে সময়ে অবিভক্ত বাংলায় কোনো উন্নত মানের সাময়িকপত্র ছিল না। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ থেকে ১২৮২ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস অবধি এর সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১২৮৩ বঙ্গাব্দে এর প্রকাশ স্থগিত থাকে। ১২৮৪ বঙ্গাব্দ থেকে পত্রিকাটি পুনঃপ্রকাশিত হয় সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায়। শ্রীশচন্দ্র মজুমদার ১২৯০ বঙ্গাব্দের কার্তিক থেকে মাঘ পর্যন্ত ৪টি সংখ্যার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৩০৮ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩১২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন নবপর্যায়ে ৫ বৎসর প্রকাশিত হয়।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল।
১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে এটি প্রকাশিত হয়।
ঠক চাচার নাম মোকাজান মিয়া।
অত্যন্ত ধূর্ত বুদ্ধি সম্পন্ন। এটি উপন্যাসের জীবন্ত চরিত্র।
'সোনার কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কবি আল মাহমুদের লেখা।
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ দিয়ে কবি আল মাহমুদ কবি প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করেছিলেন। এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা;জাতিস্মর, পালক ভাঙার প্রতিবাদে , তোমার আড়ালে, সোনালী কাবিন প্রভৃতি।
সরল সুদের সূত্রটি হলো: সুদ = (মূলধন × সময় × হার) / ১০০. এখানে, সুদে-আসলে ৫০,০০০ টাকা দেওয়া আছে, অর্থাৎ সুদ + মূলধন = ৫০,০০০ টাকা। আমরা মূলধনকে 'ক' ধরলে, সুদ হবে (৫০,০০০ - ক) টাকা। সুদের হার ৫% এবং সময় ২০ বছর।
সুতরাং, সূত্র অনুযায়ী:
(৫০,০০০ - ক) = (ক × ২০ × ৫) / ১০০
(৫০,০০০ - ক) = (১০০ক) / ১০০
৫০,০০০ - ক = ক
৫০,০০০ = ক + ক
৫০,০০০ = ২ক
ক = ৫০,০০০ / ২
ক = ২৫,০০০ টাকা
অতএব, মূলধন হল ২৫,০০০ টাকা।
জব সলুশন