আকাশ নীল দেখায় কেন?
আকাশ নীল দেখায় মূলত আলোর বিক্ষেপণ বা 'রেলে স্ক্যাটারিং' (Rayleigh scattering)-এর কারণে। সূর্যের সাদা আলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাস ও কণার সাথে ধাক্কা খেলে, ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো চারদিকে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। মানব চোখ বেগুনি আলোর চেয়ে নীল আলোর প্রতি বেশি সংবেদনশীল হওয়ায়, আমরা আকাশকে নীল দেখি।
Related Questions
বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না। বাতাসের নাইট্রোজেন কিছু বিশেষ ধরণের ব্যাকটেরিয়া (যেমন রাইজোবিয়াম) এবং কিছু সায়ানোব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে প্রথমে পানিতে দ্রবীভূত হয় এবং পরবর্তীতে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো নাইট্রোজেনকে এমন কিছু যৌগিক পদার্থে (যেমন অ্যামোনিয়া, নাইট্রেট) রূপান্তরিত করে যা উদ্ভিদ শোষণ করতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation) বলা হয়, যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আল্ট্রাসনোগ্রাফি (Ultrasonography) বা আল্ট্রাসাউন্ড হলো একটি নিরাপদ ও ব্যথাহীন মেডিকেল ইমেজিং পরীক্ষা। উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর রিয়েল-টাইম ছবি তৈরি করে। এটি গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ এবং লিভার, কিডনি, জরায়ু ও পিত্তথলির মতো অঙ্গগুলোতে টিউমার বা পাথর শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এটির অর্থ হল প্রতি সেকেন্ডে তার ওপর ৫০ সাইকেলের কম্পাঙ্ক গতি ঘটে। তাদের কম্পাঙ্ক বা কম্পাঙ্ক হল পরিবর্তনের দিকে প্রতিস্থিতির ক্ষমতা যা তার উপর প্রয়োগ হয়। অন্য শব্দে, এটি নির্দেশ করে যে তড়ি প্রতি সেকেন্ডে তার দিয়ে ৫০ বার তার অবস্থান পরিবর্তন করে। এটি একটি ধারণা দেয় যে তরঙ্গ পরিমাপে কম্পাঙ্ক এবং সময়ের প্রসারণ যে সময় অতিক্রম করে।
CFCs= Chlorofluorocarbons.
এই গ্যাস বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তরকে ধ্বংস করে দেয় যার ফলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে সরাসরি প্রবেশ করে বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়।
সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন উপাদানগুলোর মধ্যে ক্লোরিন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
সিএফসি থাকে বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ক্যানে, ফ্রিজ এবং এয়ার কন্ডিশনারে। ফলস্বরূপ, ১৯৮৫ সালে দেখা গেল যে দক্ষিণ গোলার্ধের ওজোন স্তরে বড়সড় একটি গর্ত তৈরি হয়েছে।
যখন গুণ টানা হয় তখন নৌকার উপর প্রযুক্ত বলে দুটি উপাংশে ক্রিয়া করে, যার এক অংশ নৌকাকে সামনের দিকে চালিত করে এবং অন্য অংশ নৌকাকে পাড়ের দিকে চালিত করে। তবে মাঝি যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে পাড়ের দিকে বলের উপাংশকে প্রশমিত করতে পারে। ফলে সামনের দিকের বলের ক্রিয়ায় নৌকা সামনের দিকে মাঝ নদী বরাবর চলে।
ক. ০.৩
খ.✓(০.৩) = ০.৫৪৭৭
গ. (২/৫) = ০.৪
ঘ. (১/৩) = ০.৩৩
সুতরাং বৃহত্তম সংখ্যাটি ✓(০.৩)
জব সলুশন