'Dialect' এর পরিভাষা-
Related Questions
বাংলাদেশের উপভাষা সমূহকে প্রধানত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় - উত্তরবঙ্গীয়, রাজশাহী, পূর্ববঙ্গীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয়। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে উপভাষা বলে।
মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত বাক সংকেতের সংগঠন কে ভাষা বলা হয়। অর্থাৎ বাগযন্ত্রের দ্বারা সৃষ্ট অর্থবোধক ধ্বনির সংকেতের সাহায্যে মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই হলো ভাষা। দেশ, কাল ও পরিবেশভেদে ভাষার পরিবর্তন ঘটে। এইজন্য বিভিন্ন দেশের মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে। কোন দেশের ভাষা বাংলা, কোন দেশের ইংরেজি ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর হলো: **ঘ) লেখা ও বলার রীতি**।
ভাষার প্রধান বা মৌলিক রূপ দুটি:
১. **মৌখিক রীতি (Oral):** যা মানুষ কথা বলার জন্য ব্যবহার করে।
২. **লৈখিক রীতি (Written):** যা মানুষ লেখার জন্য ব্যবহার করে।
বক্তৃতার রীতি মূলত মৌখিক রীতিরই একটি অংশ, কিন্তু সামগ্রিকভাবে ভাষাকে প্রধানত এই দুটি মৌলিক রূপেই ভাগ করা হয়।
বাংলা ভাষার সর্বজনস্বীকৃত লেখ্য রূপ হচ্ছে সাধু রীতি। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। এ রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী।
ব্যাখ্যা:
চলিত রীতি: এই রীতিতে লেখার ভাষা এবং কথা বলার ভাষা প্রায় একই রকম হয়। অর্থাৎ, আমরা যেভাবে কথা বলি, চলিত রীতিতে ঠিক সেভাবেই লেখা হয়। এটি আধুনিক এবং সহজবোধ্য।
সাধু রীতি: এটি কেবল লৈখিক রূপেই সীমাবদ্ধ ছিল, মৌখিক বা কথা বলার ক্ষেত্রে এই রীতি ব্যবহৃত হতো না।
আঞ্চলিক রীতি: এটি কেবল নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, যা সাধারণত প্রমিত লৈখিক রূপে ব্যবহৃত হয় না।
মিশ্র রূপ: এটি বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রণকে বোঝায়, লৈখিক ও মৌখিকের সমন্বয়কে নয়।
জব সলুশন