বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) প্রমথ চৌধুরী
গ) প্যারীচাঁদ মিত্র
ঘ) প্রমথনাথ বসু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন - প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরী বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। তিনি "সবুজপত্র " পত্রিকা সম্পাদনের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন করেন।

Related Questions

ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
খ) রাজনারায়ণ বসু
গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Note :

বাংলা গদ্য সাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্র (ছদ্মনাম: টেকচাঁদ ঠাকুর)-এর রচনা রীতিকে 'আলালী ভাষা' আখ্যা দেয়া হয়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮ সালে প্রকাশিত)-এর নামানুসারে এই কথ্য ও সহজবোধ্য ভাষারীতি 'আলালী ভাষা' বা 'আলালী রীতি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। 

ক) সাধু
খ) চলিত
গ) ইংরেজি
ঘ) সংস্কৃত
Note :

আলালী বা হুতোমি ভাষা মূলত চলিত ভাষা-কে বলা হয়। বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে মুখের ভাষারীতি বা চলিত রীতির প্রবর্তনে এই দুটি শৈলী বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

আলালী ভাষা: প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থে এই ভাষারীতি ব্যবহার করেন, যা তৎসম শব্দের মিশ্রণে কিছুটা সহজ ও কথ্য রূপ ধারণ করেছিল। 

হুতোমি ভাষা: কালীপ্রসন্ন সিংহ তাঁর 'হুতোম প্যাঁচার নকশা'-তে এই রীতির প্রয়োগ করেন, যা আলালী ভাষার চেয়ে আরও বেশি প্রাণবন্ত, তীব্র ও সরাসরি কথ্য মুখের ভাষার কাছাকাছি ছিল। 

ক) তিনটি
খ) দুইটি
গ) চারটি
ঘ) সাতটি
Note :

বাংলা লেখ্য ভাষার প্রধান রূপ দুটি । এগুলো হলো:
১. সাধু রীতি: গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং ব্যাকরণগতভাবে সুনির্দিষ্ট রূপ।
২. চলিত রীতি: আধুনিক, সহজ ও সর্বজনগ্রাহ্য রূপ, যা বর্তমানে লেখা ও বলার প্রধান মাধ্যম ।

ক) কথ্য ভাষা
খ) আদর্শ রীতি
গ) আদর্শ কথ্য রীতি
ঘ) আদর্শ ভাষা রীতি
Note :

বাঙালি জনগোষ্ঠীর সর্বজনীন কথ্য ভাষা রীতির নাম হলো আদর্শ কথ্য রীতি (যা ব্যাকরণে প্রমিত রীতি বা চলিত রীতি হিসেবেও পরিচিত)

ক) নদীয়া
খ) পুরুলিয়া
গ) ত্রিপুরা
ঘ) বরিশাল
Note :

-বাংলা ভাষার উপভাষাকে প্রধানত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। 

-১. রাঢ়ি (পশ্চিম ও মধ্যবঙ্গ)। 

-২. ঝাড়খন্ডি (দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গ, সিংভূম, মানভূম, পুরুলিয়া অঞ্চল)। 

-৩. বরেন্দ্রি (উত্তর বঙ্গ)। ৪. বঙ্গালি (পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ববঙ্গ, ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, বরিশাল)। 

-৫. কামরুপি (উত্তর পূর্ববঙ্গ, কোচবিহার, কাছাড়া)।

ক) বাঙ্গালি
খ) বরেন্দ্রি
গ) পূর্বি
ঘ) কামরূপি
Note :

বাংলাদেশের দক্ষিণ ও মধ্য অঞ্চলে প্রচলিত আঞ্চলিক কথ্য রীতি বা উপভাষাকে প্রধানত "বাঙ্গালি" উপভাষা বলা হয়। এছাড়া, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের (যেমন- সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন এলাকা) উপভাষাকে অনেক সময় "সুন্দরবানী" এবং বৃহত্তর দক্ষিণের পূর্বাংশে (যেমন- নোয়াখালী ও এর আশেপাশের অঞ্চল) "নোয়াখাইল্লা" বা নোয়াখালীয় উপভাষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন