ভাষার কোন রীতি তদ্ভব শব্দ বহুল?

ক) সাধু রীতি
খ) কথ্য রীতি
গ) চলিত রীতি
ঘ) বানান রীতি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো: সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)।

Related Questions

ক) চলিত রীতি
খ) মিশ্র রীতি
গ) সাধু রীতি
ঘ) আঞ্চলিক রীতি
Note :

'তৎসম' শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয় সাধু রীতিতে। তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দগুলো সাধারণত গুরুগম্ভীর হয়, যা সাধু ভাষারীতিকে সমৃদ্ধ ও সুশৃঙ্খল করে

ক) কবিতার পঙ্ক্তিতে
খ) গল্পের বর্ণনায়
গ) গানের কলিতে
ঘ) নাটকের সংলাপে
Note :

উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রূপ গড়ে ওঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'।
সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-

- সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।
- সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।
- সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।

ক) চলিত ভাষা
খ) লেখ্য ভাষা
গ) কথ্য ভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
Note :

বাংলা ভাষার সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এটি কঠোর ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে এবং এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়  সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

ব্যাকরণসিদ্ধ: এটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে।

ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: এতে ক্রিয়া (যেমন: করিতেছি) এবং সর্বনাম (যেমন: তাহারা) পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

তৎসম শব্দের প্রাচুর্য: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি থাকে। 

ক) গুরুচণ্ডাল
খ) অবোধ্য
গ) দুর্বোধ্য
ঘ) গুরুগম্ভীল
Note :

গুরুগম্ভীর সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। বাংলা ভাষার এই রীতির শব্দচয়ন বেশ ভারিক্কি বা আভিজাত্যপূর্ণ হয়।

ক) মিশ্র রীতি
খ) চলিত রীতি
গ) কথ্য রীতি
ঘ) সাধু রীতি
Note :

বাংলা গদ্যের প্রথম দিকে 'সাধুরীতি' রীতির প্রচলন ছিল। সাধুরীতি বলতে এখানে উদ্দেশ্য হল যে, পুরনো এবং নিখুঁত ভাষায় লেখা হয় যা সাধারণ মানুষের জন্য সহজ নয়। এটি অধিকাংশ সময় শাস্ত্রীয় এবং প্রথাগত লেখায় ব্যবহৃত হত।

যখন বাংলা গদ্যর প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, 'সাধুরীতি' ছিল সেই সময়কার একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি, যেটি সাহিত্য রচনায় প্রভাব ফেলেছিল।

ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) রাজা রামমোহন রায়
ঘ) প্যারীচাঁদ মিত্র
Note :

বাংলা ভাষারীতিতে 'সাধু ভাষা' পরিভাষাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন রাজা রামমোহন রায়। ১৮১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'বেদান্ত গ্রন্থ'-তে তিনি এই মার্জিত ও গুরুগম্ভীর ভাষাকে প্রথম অভিহিত করেন। পরবর্তী সময়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই ভাষাকে আরও প্রাঞ্জল ও সুবিন্যস্ত করে তোলেন, যার কারণে তাঁকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়

জব সলুশন

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- অদক্ষ শ্রমিক 07-08-2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী- উচ্চমান সহকারী 07-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন