বাংলা সাহিত্যে কখন গদ্যের সূচনা হয়?

ক) নবম শতকে
খ) ত্রয়োদশ শতকে
গ) ষোড়শ শতকে
ঘ) উনিশ শতকে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা ভাষার গদ্য সাহিত্য রচনা শুরু হয় ।
-এ সময়কে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
-আধুনিক যুগকে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
-প্রথম পর্যায়ে ১৮০১ - ১৮৬০ পর্যন্ত,
-দ্বিতীয় পর্যায় ১৮৬১ থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত ।

Related Questions

ক) আমাদিগের
খ) আমরা
গ) মোদের
ঘ) আমাদের
Note :

'মোগো' (বা 'মেগো') শব্দটির আঞ্চলিক রূপের শিষ্ট পদ্যরূপ হলো মোদের। পদ্য বা কাব্যে 'আমাদের' বোঝাতে সাধারণত 'মোদের' শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

ক) অনুসর্গ
খ) অব্যয়
গ) বিশেষ্য
ঘ) উপসর্গ
Note :

চলিত ভাষায় অনুসর্গ, সর্বনাম এবং ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত হয়

ক) সম্বোধন পদ
খ) ক্রিয়া
গ) অব্যয়
ঘ) সর্বনাম
Note :

অব্যয় পদ (যেমন এবং ও কিন্তু সুতরাং) এমন শব্দ যার কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না। তাই এটি সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই অভিন্ন থাকে। অন্যদিকে ক্রিয়াপদ (যেমন- করিয়া/করে) এবং সর্বনাম পদ (যেমন- তাহার/তার) এর রূপ পরিবর্তিত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো অব্যয়।

ক) বিশেষ্য
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) ক্রিয়া
Note :

সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের দীর্ঘতর রূপের ব্যবহার (যেমন- ক্রিয়া: চলিতেছে; সর্বনাম: তাহার)। কিন্তু অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন ঘটে না। তাই এর কোনো দীর্ঘরূপ হয় না। এটি উভয় রীতিতে একই থাকে।
 

ক) চলিত ভাষারীতিতে
খ) সাধু ভাষারীতিতে
গ) সমাজ উপভাষায়
ঘ) আঞ্চলিক উপভাষায়
Note :

সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয় । সাধুরীতি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট ইয়ম অনুসরণ করে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত । এ রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয় । যেমনঃ আসিয়া (সাধু) > এসে (চলিত); তাহাকে (সাধু) > তাকে (চলিত); অপেক্ষা(সাধু) > চেয়ে (চলিত) ।

ক) তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ব্যবহার
খ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
গ) শব্দের কথা ও লেখ্য রূপে
ঘ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
Note :

সাধু ভাষা: বাংলা ভাষায় সংস্কৃত শব্দ সম্পদ, ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ এবং কিছু ব্যাকরণসিদ্ধ উপাদান ব্যবহার করে ইংরেজি গদ্য সাহিত্যের পদবিন্যাস প্রণালির অনুকরণে পরিকল্পিত যে নতুন সর্বজনীন গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তিত হয়, তাকে সাধু ভাষা বলে।

 

চলিত ভাষা: তদ্ভব শব্দ, ক্রিয়া ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং লেখকের মনোভাব অনুযায়ী পদবিন্যাস প্রণালির ব্যবহারসহ যে স্বচ্ছন্দ, চটুল ও সর্বজনীন সাহিত্যিক গদ্যরীতি মুখের ভাষার আদলে গড়ে উঠেছে, তার নাম চলিত ভাষা।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন