সাধু রীতিতে কোন পদটির দীর্ঘরূপ হয় না?

ক) বিশেষ্য
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) ক্রিয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের দীর্ঘতর রূপের ব্যবহার (যেমন- ক্রিয়া: চলিতেছে; সর্বনাম: তাহার)। কিন্তু অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন ঘটে না। তাই এর কোনো দীর্ঘরূপ হয় না। এটি উভয় রীতিতে একই থাকে।
 

Related Questions

ক) চলিত ভাষারীতিতে
খ) সাধু ভাষারীতিতে
গ) সমাজ উপভাষায়
ঘ) আঞ্চলিক উপভাষায়
Note :

সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয় । সাধুরীতি ব্যাকরণের নির্দিষ্ট ইয়ম অনুসরণ করে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত । এ রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয় । যেমনঃ আসিয়া (সাধু) > এসে (চলিত); তাহাকে (সাধু) > তাকে (চলিত); অপেক্ষা(সাধু) > চেয়ে (চলিত) ।

ক) তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ব্যবহার
খ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
গ) শব্দের কথা ও লেখ্য রূপে
ঘ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায়
Note :

সাধু ভাষা: বাংলা ভাষায় সংস্কৃত শব্দ সম্পদ, ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ এবং কিছু ব্যাকরণসিদ্ধ উপাদান ব্যবহার করে ইংরেজি গদ্য সাহিত্যের পদবিন্যাস প্রণালির অনুকরণে পরিকল্পিত যে নতুন সর্বজনীন গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তিত হয়, তাকে সাধু ভাষা বলে।

 

চলিত ভাষা: তদ্ভব শব্দ, ক্রিয়া ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত রূপ এবং লেখকের মনোভাব অনুযায়ী পদবিন্যাস প্রণালির ব্যবহারসহ যে স্বচ্ছন্দ, চটুল ও সর্বজনীন সাহিত্যিক গদ্যরীতি মুখের ভাষার আদলে গড়ে উঠেছে, তার নাম চলিত ভাষা।

ক) আঞ্চলিক ভাষা
খ) চলিত ভাষা
গ) উপভাষা
ঘ) সাধু ভাষা
Note :

বক্তৃতা ও সংলাপের জন্য চলিত ভাষা বেশি ব্যবহার করা হয়।  চলিত ভাষারীতি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং এটি সাবলীল। তাই প্রাঞ্জল ও আকর্ষণীয় বক্তৃতা দেওয়ার জন্য এবং নাটক বা দৈনন্দিন জীবনের সংলাপ লেখার ক্ষেত্রে চলিত বা প্রমিত রূপটিই সবচেয়ে উপযোগী। পক্ষান্তরে, সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর এবং এটি ভাষণ বা সংলাপের জন্য অনুপযোগী। 

ক) পরিবর্তনশীল
খ) আভিজাত্যের অধিকারী
গ) অপরিবর্তনীয়
ঘ) সুনিয়ন্ত্রিত
Note :

চলিত ভাষার প্রধান ও প্রযোজ্য বৈশিষ্ট্য হলো এটি পরিবর্তনশীল এবং এটি সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠায় অত্যন্ত সর্বজনগ্রাহ্য, মার্জিত ও গতিশীল। 

ক) আভিজাত্য
খ) পদবিন্যাস সুনির্দিষ্ট
গ) কাঠামো অপরিবর্তিত
ঘ) কৃত্রিমতা বর্জিত
Note :

বাংলা ভাষার চলিত রীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কৃত্রিমতা বর্জিত। অর্থাৎ, এই রীতিটি মানুষের মুখের স্বাভাবিক ও দৈনন্দিন বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এর শব্দচয়ন ও বাক্যগঠন অত্যন্ত সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত। চলিত রীতির অন্যান্য প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

সর্বজনীনতা: এটি অত্যন্ত সহজবোধ্য এবং সব মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য।

সংক্ষিপ্ত রূপ: এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিতেছে'-এর বদলে 'করছে', 'তাহারা'-এর বদলে 'তারা')।

শব্দভাণ্ডার: এতে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ব্যবহার কম থাকে এবং তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের আধিক্য দেখা যায়।

গতিশীলতা: চলিত রীতি সবসময় পরিবর্তনশীল ও গতিশীল।

ক) সাধু রীতি
খ) কথ্য রীতি
গ) চলিত রীতি
ঘ) বানান রীতি
Note :

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো: সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন