বাংলা-গদ্যের আদি নিদের্শন কোনটি?
বাংলা গদ্যের প্রথম বা আদি নিদর্শন হলো ১৫৫৫ সালে কোচবিহারের রাজা নরনারায়ণের ছোট ভাই ও সেনাপতি শুক্লধ্বজ (চিলা রায়) কর্তৃক আসামের আহোম রাজাকে লেখা একটি চিঠি。 এছাড়া, অষ্টাদশ শতাব্দীর বিভিন্ন দলিল, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পুঁথি ও পন্ডিতদের রচিত গদ্য গ্রন্থ বাংলা গদ্যের প্রাচীন রূপ হিসেবে গণ্য হয়。
Related Questions
উনিশ শতকের প্রথমদিকে পর্তুগিজ পাদ্রিগণ বাংলা গদ্যের প্রচলন করেন,সেই সাথে শুরু হয় সাহিত্যের আধুনিক যুগ।
উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা ভাষার গদ্য সাহিত্য রচনা শুরু হয় ।
-এ সময়কে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
-আধুনিক যুগকে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
-প্রথম পর্যায়ে ১৮০১ - ১৮৬০ পর্যন্ত,
-দ্বিতীয় পর্যায় ১৮৬১ থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত ।
'মোগো' (বা 'মেগো') শব্দটির আঞ্চলিক রূপের শিষ্ট পদ্যরূপ হলো মোদের। পদ্য বা কাব্যে 'আমাদের' বোঝাতে সাধারণত 'মোদের' শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
চলিত ভাষায় অনুসর্গ, সর্বনাম এবং ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত হয়
অব্যয় পদ (যেমন এবং ও কিন্তু সুতরাং) এমন শব্দ যার কোনো রূপ পরিবর্তন হয় না। তাই এটি সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই অভিন্ন থাকে। অন্যদিকে ক্রিয়াপদ (যেমন- করিয়া/করে) এবং সর্বনাম পদ (যেমন- তাহার/তার) এর রূপ পরিবর্তিত হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো অব্যয়।
সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের দীর্ঘতর রূপের ব্যবহার (যেমন- ক্রিয়া: চলিতেছে; সর্বনাম: তাহার)। কিন্তু অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন ঘটে না। তাই এর কোনো দীর্ঘরূপ হয় না। এটি উভয় রীতিতে একই থাকে।
জব সলুশন