বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?
কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ বাংলা ভাষার আদি গদ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে একটি। এই গ্রন্থের লেখক পাদ্রি মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ (পর্তুগিজ: Manoel da Assumpçam মানোয়েল্ দা আসুঁসাঁউ)। গ্রন্থটির নাম বাংলা অক্ষরে কখনো 'কৃপার' স্থলে 'ক্রেপার' লেখা হয়েছে। অধিকন্তু প্রায়শ: 'অর্থ ভেদ' দুই শব্দের পরিবর্তে 'অর্থভেদ' এক শব্দ ব্যবহৃত হয়। এটি বাংলা আদি গদ্যের নমুনা হলেও গ্রন্থটি রোমান হরফে মুদ্রিত হয়।
Related Questions
বাঙালির লেখা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ 'ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সংবাদ'-এর রচয়িতা হলেন একজন ধর্মান্তরিত বাঙালি খ্রিস্টান, দোম আন্তোনিও দো-রোজারিও।
বাংলা গদ্যের প্রথম বা আদি নিদর্শন হলো ১৫৫৫ সালে কোচবিহারের রাজা নরনারায়ণের ছোট ভাই ও সেনাপতি শুক্লধ্বজ (চিলা রায়) কর্তৃক আসামের আহোম রাজাকে লেখা একটি চিঠি。 এছাড়া, অষ্টাদশ শতাব্দীর বিভিন্ন দলিল, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পুঁথি ও পন্ডিতদের রচিত গদ্য গ্রন্থ বাংলা গদ্যের প্রাচীন রূপ হিসেবে গণ্য হয়。
উনিশ শতকের প্রথমদিকে পর্তুগিজ পাদ্রিগণ বাংলা গদ্যের প্রচলন করেন,সেই সাথে শুরু হয় সাহিত্যের আধুনিক যুগ।
উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা ভাষার গদ্য সাহিত্য রচনা শুরু হয় ।
-এ সময়কে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
-আধুনিক যুগকে দুটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
-প্রথম পর্যায়ে ১৮০১ - ১৮৬০ পর্যন্ত,
-দ্বিতীয় পর্যায় ১৮৬১ থেকে সাম্প্রতিককাল পর্যন্ত ।
'মোগো' (বা 'মেগো') শব্দটির আঞ্চলিক রূপের শিষ্ট পদ্যরূপ হলো মোদের। পদ্য বা কাব্যে 'আমাদের' বোঝাতে সাধারণত 'মোদের' শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
চলিত ভাষায় অনুসর্গ, সর্বনাম এবং ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত হয়
জব সলুশন