“যে শাস্ত্র জানিলে বাঙ্গালা ভাষা শুদ্ধরূপে লিখিতে, পড়িতে ও বলিতে পারা যায়, তাহার নাম বাঙ্গালা ব্যাকরণ।” এ সংজ্ঞাটি কার?
সঠিক উত্তর: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
“যে শাস্ত্র জানিলে বাঙ্গালা ভাষা শুদ্ধরূপে লিখিতে, পড়িতে ও বলিতে পারা যায়, তাহার নাম বাঙ্গালা ব্যাকরণ”—এই সংজ্ঞাটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ দিয়েছেন।
Related Questions
ব্যাকরণ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ (বি + আ + কৃ + অন)। সহজ কথায়, যে শাস্ত্রের মাধ্যমে কোনো ভাষার শব্দ, বাক্য এবং উপাদানগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আলাদা আলাদা করে ব্যবচ্ছেদ বা বিশ্লেষণ করা হয়, তাকেই ব্যাকরণ বলা হয়।
সংস্কৃত ব্যাকরণ = বি + আ + √কৃ + অন শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। ভাষা ব্যবহারের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম হচ্ছে ব্যাকরণ। এককথায় ব্যাকরণ হচ্ছে ভাষার সংবিধান।
গ্রিক ‘Grammatica’ বা ‘Grammatike’ শব্দ থেকে ‘Grammar’ শব্দটির উৎপত্তি, যার আদি ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো "শব্দশাস্ত্র" বা "শব্দবিদ্যা"
ড. মুহম্মদ এনামুল হক রচিত আরও কয়েকটি গ্রন্থ -মনীষা মঞ্জষা, বঙ্গে সুফী প্রভাব ,বুলগেরিয়া ভ্রমণ ,মুসলিম বাঙ্গামা সাহিত্য।
* সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' বইটির প্রকাশকাল (১৯২৬ খ্রি.) ।
* বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা' ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)।
* ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ'।
* শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ : প্রভাবতী সম্ভাষণ, বেতাল পঞ্চবিংশতি, ব্যাকরণ কৌমুদী, বোধোদয়, বর্ণপরিচয়, কথামালা, অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল। কলিকাতা কমলালয়, বত্রিশ সিংহাসন ও গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচয়িতা যথাক্রমে - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও রাজা রামমোহন রায়।
জব সলুশন