'Phoneme' শব্দের অর্থ-
বাক প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনির সূক্ষ্মতম মৌলিক অংশ বা একককে ধ্বনিমূল বা Phoneme বলা হয়। আর ধ্বনিত্ত্বকে ইংরেজিতে বলা হয় Phonology.
Related Questions
বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক শব্দ।
শব্দ হলো অর্থবোধক ধ্বনিসমষ্টি, যা বাক্য গঠনের মূল উপাদান। শব্দ একাধিক বর্ণ ও অক্ষর সমন্বয়ে গঠিত হয়ে থাকে ।
বাংলা ভাষার শব্দকে উৎপত্তিগত দিক দিয়ে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ ভাগগুলো হলো : তৎসম শব্দ, অর্ধ - তৎসম শব্দ, তদ্ভব শব্দ, দেশি শব্দ ও বিদেশি শব্দ।
বাক্যের মৌলিক উপাদান হলো শব্দ।
একাধিক বর্ণ বা ধ্বনি একত্রিত হয়ে যখন কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করে, তখন তা বাক্যের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে একটি সার্থক বাক্য গঠনের জন্য শুধু শব্দ থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং শব্দগুলোকে পাশাপাশি বসলে ব্যাকরণগত ৩টি গুণ থাকতে হয়:
১. আকাঙ্ক্ষা: বাক্যের এক পদ শোনার পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা।
২.আসত্তি: বাক্যের পদগুলোর সুবিন্যস্ত অবস্থান।
৩. যোগ্যতা: পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মিল।
১। ভাষার মূল উপকরণ – বাক্য
২। ভাষার মূল উপাদান – ধ্বনি
৩। ভাষার বৃহত্তম একক – বাক্য
৪। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক – ধ্বনি
৫। বাক্যের মৌলিক উপাদান – শব্দ
৬। বাক্যের মূল উপাদান – শব্দ
৭। বাক্যের মূল উপকরণ – শব্দ
৮। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক – শব্দ
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি। কণ্ঠনিঃসৃত এই ধ্বনিগুলো একত্রিত হয়ে শব্দ তৈরি করে এবং শব্দ দিয়ে বাক্য গঠনের মাধ্যমেই মানুষ মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে।
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো 'ধ্বনি' । এটা ভাষার মৌলিক অংশ । ধ্বনির লিখিত রূপ হলো 'বর্ণ' । শব্দের অংশ হলো অক্ষর। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক বা অংশকে শব্দ বলে।
বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাতত্ত্ব অনুযায়ী, একটি শব্দের ক্ষুদ্রতম বা অবিভাজ্য একককে ধ্বনি বলা হয়। মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত এই ধ্বনিগুলোই যখন একত্রিত হয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে শব্দ বলে।
জব সলুশন